Youngest Indian Billionaires: ভবিষ্যতের অম্বানী-আদানি, দেশের ধনকুবেরদের তালিকায় উঠে আসছে কাদের মুখ
অম্বানী এবং আদানি যেমন দেশের প্রথম সারির ধনকুবের, তেমন বেশ কিছু নতুন মুখ উঠে এসেছে এই তালিকায়।
১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারত। ধনকুবেরের সংখ্যাও কম নয়। অম্বানী এবং আদানি যেমন দেশের প্রথম সারির ধনকুবের, তেমন বেশ কিছু নতুন মুখ উঠে এসেছে এই তালিকায়। দেশের তেমনই কয়েক জন কম বয়সি ধনকুবেরদের চিনে নিন।
ভারতের সবচেয়ে বড় স্টক ব্রোকারেজ সংস্থা জিরোধা-র মালিক নিখিল কামাথ। ৩৪ বছরের নিখিলের সম্পত্তির পরিমাণ ১৪ হাজার কোটি টাকা।
বাইজু রবীন্দ্রন ছিলেন এক সাধারণ স্কুল শিক্ষক। আর এখন তিনি ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মালিক। বাইজু রবীন্দ্রন নয় বছর আগে তৈরি করেছিলেন ‘থিঙ্ক অ্যান্ড লার্ন’ নামে এক সংস্থা। তারাই তৈরি করে অনলাইন শিক্ষার অ্যাপ বাইজুস। ভারতের প্রথম পাঁচ ধনকুবেরের মধ্যে বাইজুর নাম রয়েছে।
আইআইটি খড়গপুর থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন অমোদ মালব্য। তার পর অনেক ছোটখাটো সংস্থায় কাজ করেছেন। পরে উড়ান-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন। অমোদের সম্পত্তির পরিমাণ ১৩ হাজার কোটি টাকা।
২০১৬ সালে অমোদের সঙ্গে উড়ান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুজিত কুমারও। তিনিও ১৩ হাজার কোটি টাকার মালিক। দিল্লি আইআইটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন সুজিত। উড়ান প্রতিষ্ঠার আগে তিনি ফ্লিপকার্ট-এ কাজ করতেন। ফ্লিপকার্ট-এর প্রেসিডেন্ট অব অপারেশন পদে নিযুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
বৈভব গুপ্ত। উড়ান-এর আরও এক সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সম্প্রতি সংস্থার সিইও পদে যোগ দিলেন তিনি। বৈভবও দিল্লি আইআইটি থেকে পাশ করেছেন। তার পর ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছেন। উড়ান-এর আগে তিনিও ফ্লিপকার্ট-এ যোগ দিয়েছিলেন।
ফ্লিপকার্ট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনি বনসল আট হাজার ১০০ কোটি টাকার মালিক। ২০০৭ সালে অ্যামাজন ছাড়ার পর বিনি ফ্লিপকার্ট প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৬ সালে তিনি ফ্লিপকার্ট-এর সিইও হন। কিন্তু ব্যক্তিগত কিছু কারণে ২০১৮ সালে ফ্লিপকার্ট থেকে ইস্তফা দেন। এখন একটি স্টার্টআপ কনসালট্যান্সির মালিক তিনি।
১১ বছর ধরে ফ্লিপকার্ট-এর সঙ্গেই রয়েছেন সচিন বনসল। তিনিও ফ্লিপকার্ট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সচিন এবং বিনির পরিচয় হয়েছিল দিল্লি আইআইটিতে। সচিনের সম্পত্তির পরিমাণ আট হাজার ৮৯০ কোটি টাকা।
পেটিএম-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও বিজয়শেখর শর্মা। ৪২ বছরের বিজয়ের সম্পত্তির পরিমাণ এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
মধ্যবিত্ত পরিবারের আইআইটি পাশ ছেলে চাকরি করেই সারা জীবন কাটিয়ে দেবেন ভেবেছিলেন। সহকর্মীদের মুখে ভাল খাবার পৌঁছে দিতে স্থির করে ফেললেন ‘দুয়ারে খাবার’ পৌঁছে দেওয়ার। চাকরি ছেড়ে বানিয়ে ফেললেন অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ জোম্যাটো। ৩৮ বছরের দীপেন্দ্র গয়ালের সম্পত্তির পরিমাণ দু'হাজার ২০০ কোটি টাকা।