Advertisement
E-Paper

‘ভুল করেছে ছেলে, আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! দিল্লি এসইউভি কাণ্ডে মুখ খুললেন অভিযুক্ত নাবালকের বাবা, আর কী বললেন তিনি?

গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লির দ্বারকায় এসইউভির ধাক্কায় মৃত্যু হয় সাহিল ধানাস্রে নামে এক যুবকের। সেই ঘটনায় তোলপাড় রাজধানী। অভিযোগ উঠেছে এক নাবালকের বিরুদ্ধে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৬
(বাঁ দিকে) দুর্ঘটনার আগের দৃশ্য। (ডান দিকে) নাবালকের গাড়ির ধাক্কায় মৃত যুবক। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) দুর্ঘটনার আগের দৃশ্য। (ডান দিকে) নাবালকের গাড়ির ধাক্কায় মৃত যুবক। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লির দ্বারকায় গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে যখন হইচই চলছে, অভিযুক্ত নাবালক ছেলের কাণ্ড নিয়ে এ বার মুখ খুললেন বাবা। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘এটি ভুল ছিল। আমার পরিবারের তরফ থেকে এই ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমিও এক জন সন্তানের বাবা। আমার ছেলে ভুল করছে। আর এর জন্য আমার পরিবারের সকলে অনুতপ্ত।’’

অভিযুক্তের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে যে কাণ্ড করেছে, তাঁর জন্য লজ্জাবোধ হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, গোরক্ষপুরে কাজের জন্য গিয়েছিলেন। তখন তিনি জানতে পারেন তাঁর ছেলে গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। নাবালকের বাবার কথায়, ‘‘ওর বয়স অল্প। তাই ভুল করে ফেলেছে। গাড়ির চাবি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল। তবে আমি যদি দিল্লিতে থাকতাম, তা হলে হয়তো এই ঘটনা ঘটত না।’’

অভিযুক্তের বাবার দাবি, যে সময় তাঁর ছেলে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, স্ত্রী বাড়িতেই ছিলেন। তিনি ছেলেকে বকাঝকাও করেছিলেন। কিন্তু ছেলে শুনতে চায়নি। তবে তিনি বাড়িতে থাকলে ছেলে এই সাহস পেত না। তবে এই ঘটনার পর তাঁর ছেলে কিন্তু পালিয়ে যায়নি। অভিযুক্তের বাবার কথায়, ‘‘আমি যখন ফোন পেয়েছিলাম বাড়ি থেকে, তখন বলেছিলাম আহত যুবককে যেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।’’ দাবি, তাঁর স্ত্রী তিন বার ফোন করেছিলেন। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে পৌনে ১২টার মধ্যে। তখন স্ত্রীকে তাঁকে জানান, ছেলে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এ কথা শুনে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ওই দিনই গোরক্ষপুর থেকে দিল্লিতে ফিরে এসেছিলেন।

অভিযুক্তের বাবা আরও বলেন, ‘‘দিল্লিতে ফিরেই পুলিশের কাছে যাই। ওরা জিজ্ঞাসা করে গাড়িটি আমার কি না। তখন তাদের জানাই গাড়িটি আমার। যে গাড়ি চালাচ্ছিল, সে আমার কে হয়, সেটাও জিজ্ঞাসা করে পুলিশ। তার পর পুলিশকে গাড়ির যাবতীয় নথি দিই।’’ তাঁর অভিযোগ, থানায় তাঁদের শাসানো হয়। জোর করে বলতে বাধ্য করানো হয়, নাবালক হওয়ার পরেও কেন গাড়ির চাবি ছেলের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘তখন বলেছিলাম, আমি বাড়িতে ছিলাম না। ছেলে ভুল করেছে। এই ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।’’

ছেলেকে কখনও গাড়ি চালাতে নিষেধ করেননি? এই প্রশ্ন করা হলে অভিযুক্তের বাবা বলেন, ‘‘আমি ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ছেলে আমাকে খুব ভয় পায়। ছেলের ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই।’’ দুর্ঘটনার আগে তাঁর মেয়ে কি গাড়িতে বসে রিল বানাচ্ছিল? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘মেয়ে রিল বানাচ্ছিল না। ছবি এবং ভিডিয়ো করছিল।’’

প্রসঙ্গত, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লির দ্বারকায় এসইউভির ধাক্কায় মৃত্যু হয় সাহিল ধানাস্রে নামে এক যুবকের। সেই ঘটনায় তোলপাড় রাজধানী। অভিযোগ উঠেছে এক নাবালকের বিরুদ্ধে।

Dwarka
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy