Advertisement
E-Paper

২০২৫ সালে ভারত-চিন বাণিজ্য হয়েছে ১২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি, নয়াদিল্লির রফতানি বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ, দাবি চিনা দূতের

দাবি, নয়াদিল্লির সঙ্গে বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত বেজিং। গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে কাজ করার জন্যও ড্রাগনের দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:৩৩

—প্রতীকী চিত্র।

দর কষাকষির পরে ভারতীয় পণ্যের উপরে ২৫ শতাংশের বদলে ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। শোনা যাচ্ছে, জরিমানা ববদ আরোপিত বাড়তি ২৫ শতাংশ‌ও মকুব করা হবে। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূতের দাবি, গত অর্থবর্ষে ভারত ও চিনের মধ্যে ব্যবসা হয়েছে ১২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। আরও দাবি, ২০২৪ সালের চেয়ে সেই পরিমাণ ১২ শতাংশেরও বেশি।

চৈনিক দূত সু ফেইহংয় জানান, ব্রিকস্-এ ভারতের সভাপতিত্বকে চিন সমর্থন করে। তাঁর আরও দাবি, নয়াদিল্লির সঙ্গে বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত বেজিং। গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে কাজ করার জন্যও ড্রাগনের দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

চিনের নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সু-এর দাবি, গত বছরের অগস্টে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিঙের বৈঠকের পরে দুই দেশের সম্পর্কের পুননির্মাণ হয়েছে। নতুন করে সূচনা হয়েছে উন্নয়নের।

চিনের দাবি, বিভিন্ন দিক থেকেই দুই দেশ পারস্পরিক বিনিময়ে সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা। এই প্রসঙ্গেই তিনি জানান, ভারত থেকে চিনে রফতানি বেড়েছে ৯.৭ শতাংশ। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হয়েছে প্রায় ১৫৫ বিলিয়ন ডলারের (১২.৯৪ লক্ষ কোটি)।

চিন ও ভারতের আত্মনির্ভর হওয়ার ‘কৌশল’ সম্পর্কে শি-এর দেশের দূত উল্লখ করেন ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রসঙ্গ। ড্রাগনের দেশের দূতের দাবি, দুই দেশের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় থাকবে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গলওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের পরে দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই শৈত্য অনেকটাই কেটেছে।

Diplomacy trade
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy