E-Paper

প্রধান বিচারপতিকে রাখা আবশ্যিক নয়: কেন্দ্র

নতুন আইনে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিটি থেকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক সদস্যকে রাখা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলার শুনানি চলছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ০৯:১৯
সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল চিত্র।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য গঠিত কমিটিতে প্রধান বিচারপতিকে রাখা সংবিধান অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নয় বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, কোনও বিচারপতিকে ওই কমিটিতে রাখা হবে কি না, তা সম্পূর্ণ ভাবে আইন প্রণেতাদের সিদ্ধান্তের বিষয়, সংবিধানের নির্দেশ নয়।

নতুন আইনে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিটি থেকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক সদস্যকে রাখা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলার শুনানি চলছে। সেই মামলাতেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে গত ১৩ মে জমা দেওয়া এক হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, “সংবিধানে কোথাও বলা হয়নি যে নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ কমিটিতে বিচার বিভাগের প্রতিনিধি থাকতেই হবে। বিচার বিভাগের সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা আইনসভার পছন্দের বিষয়, কোনও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নয়।” এ প্রসঙ্গে সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে কেন্দ্রের দাবি, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট কোনও কাঠামো সংবিধানে বেঁধে দেওয়া হয়নি, বরং এই বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের উপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।সরকার আরও জানিয়েছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে অনুপ বরণওয়াল মামলায় সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, সংসদ নতুন আইন না আনা পর্যন্ত নির্বাচন কমিটিতে প্রধান বিচারপতিকে রাখতে হবে। কেন্দ্রের বক্তব্য, সংসদ আইন তৈরির সময় সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ মানতে বাধ্য নয়।

কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর)-সহ আবেদনকারীদের অভিযোগ খারিজ করে কেন্দ্র জানিয়েছে, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি না থাকলে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা বা স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে, এমন প্রমাণ নেই। আইন পাশ করানোর সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে বহু সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তাও ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘সাংবিধানিক ভাবে অগ্রহণযোগ্য’ বলে দাবি করেছেকেন্দ্র।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Constitution

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy