Advertisement
E-Paper

আস্থা নাটক কোর্টে, সঙ্কট কর্নাটকে

দেড়টা বাজলে বিজেপি বিধায়ক দলের নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে আস্থা ভোট শুরু হোক। সঙ্গে সঙ্গে তেড়ে আসেন কংগ্রেস সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, বিধানসভায় কখন কী হবে, রাজ্যপাল বলার কে?

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৯ ০৩:০৩
কর্নাটক বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। —ফাইল চিত্র

কর্নাটক বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। —ফাইল চিত্র

রাজ্যপাল বাজুভাই বালা দু’-দু’বার আস্থা ভোটের সময়সীমা বেঁধে দিলেন। দু’-দু’বারই তা অগ্রাহ্য করে আস্থা প্রস্তাবের ওপর আলোচনা চালিয়ে গেলেন স্পিকার কেআর রমেশ কুমার। বিজেপি যত বার আস্থা ভোট চেয়েছে, স্পিকার তা খারিজ করে জানিয়েছেন— আলোচনা শেষ হলে ‘দরকার বুঝে’ তার পরে ভোটাভুটি। শেষ পর্যন্ত সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি হল বিধানসভা। এই সবের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, বিধানসভায় আস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা যখন চলছে, রাজ্যপাল কি তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন? জবাব চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী। দলের বিধায়কদের কেন হুইপ দেওয়া যাবে না, সেই প্রশ্ন তুলে সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েছে কংগ্রেসও। অনেকেই বলছেন, নতুন এক সাংবিধানিক সঙ্কটের দিকে চলেছে কর্নাটক।

বৃহস্পতিবার রাতেই রাজ্যপাল বালা মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানান, এ দিন বেলা দেড়টার মধ্যে আস্থা ভোট নিতে হবে। রাতে বিধানসভাতেই থেকে গিয়েছিলেন বিজেপির সদস্যরা। শুক্রবার সকালে স্পিকার যথারীতি আস্থা প্রস্তাবের উপর আলোচনা শুরু করেন। একের পর এক বিধায়ক বলতে থাকেন, সরকার ফেলতে বিজেপি নেতারা কী ভাবে তাঁদের কোটি কোটি টাকার লোভ দেখিয়ে ফোন করেছেন। দ্বিতীয় দফায় বলতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী বলেন, ‘‘এক এক জন বিধায়ককে ভাঙাতে ৪০-৫০ কোটি টাকা করে খরচ করছে বিজেপি। কোথা থেকে আসছে এই টাকা? কর্নাটকের সরকার ফেলতে কেন এত লগ্নি?’’

দেড়টা বাজলে বিজেপি বিধায়ক দলের নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে আস্থা ভোট শুরু হোক। সঙ্গে সঙ্গে তেড়ে আসেন কংগ্রেস সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, বিধানসভায় কখন কী হবে, রাজ্যপাল বলার কে? বিজেপি রাজ্যপালকে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। গন্ডগোলের মধ্যে বেলা তিনটে পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার। ফের শুরু হওয়ার পরেও চলতে থাকে বক্তৃতা। এর পরে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যপাল আরও একটি ‘প্রেমপত্র’ দিয়েছেন, যাতে তিনি আহত। সেই চিঠিতে শুক্রবারের মধ্যেই আস্থা ভোট শেষ করার নির্দেশ ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন। আর শুক্রবার দিনভর বক্তৃতার পরে সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে গেল বিধানসভা।

তা হলে আস্থা ভোট কবে? কংগ্রেসের এক বিধায়কের কথায়, ‘‘এখনও অনেকের বলা বাকি, দু’-তিন দিনও গড়াতে পারে!’’

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।

Karnataka HD Kumaraswamy Supreme Court Of India
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy