আপাতত ত্রিপুরার আদালতে সশরীর হাজিরা দিতে হচ্ছে না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। তাঁদের আইনজীবী এই মামলায় একটি প্রক্রিয়াগত অসঙ্গতির অভিযোগ তোলার পরে ত্রিপুরা হাই কোর্ট বলেছে, ২১ অগস্ট পর্যন্ত খোয়াইয়ের নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে হবে না অভিষেকদের।
২০২১ সালের অগস্টে ত্রিপুরার রাস্তায় তৃণমূলের যুব নেতাদের উপরে হামলা হয়। জখম হন কয়েক জন। পুলিশ এর পরে তৃণমূল নেতাদেরই গ্রেফতার করলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক-কুণালরা। পুলিশের অভিযোগ ছিল, অভিষেক, ব্রাত্য বসু, দোলা সেন-সহ ১৪ জন একে তো কোভিড-বিধি ভেঙেছেন। উপরন্তু এসডিপিও, এএসপি, ওসিদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। ব্রাত্য, অভিষেক, কুণালদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৬ ও ৩৪ নম্বর ধারায় কর্তব্যরত সরকারি আধিকারিকের কাজে বাধা দেওয়া ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে মামলা হয়। খোয়াই ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে পাঠানো হয়হাজিরার সমন।
ত্রিপুরা হাই কোর্ট ইতিমধ্যেই ব্রাত্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা খারিজ করেছে। তার প্রেক্ষিতে আইনজীবী শঙ্কর লোধ অভিষেক ও কুণালের বিরুদ্ধে আনা মামলাও খারিজের আর্জি জানান। তিনি বলেন, সিআরপিসি-র ধারা অনুযায়ী, আইপিসি-র ১৮৬ ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে ভুক্তভোগী আধিকারিককে অথবা তাঁর ঊর্ধ্বতনকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ওসি, এসডিপিও, এএসপি-র হয়ে এফআইআর করেছিলেন এক এসআই। অতএব তা গ্রাহ্য হওয়া উচিত নয়। বিচারপতি বিশ্বজিৎ পালিত সরকার পক্ষের জবাব তলব করে নির্দেশ দেন, পরের শুনানি হবে ২১ অগস্ট। তার আগে অভিষেক, কুণালকে নিম্ন আদালতে আসতেহবে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)