ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হেরে যাওয়ার পরে এআইসিসি-তে রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত নেতা কে রাজু অভিযোগ তুলেছিলেন, কংগ্রেসের শরিক হয়েও আরজেডি ও সিপিআই-এমএল লিবারেশনের বিধায়কেরা এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী শিল্পপতি পরিমল নাথওয়ানিকে ভোট দিয়েছেন। আজ এই অভিযোগ নাকচ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে চিঠি দিলেন লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। দীপঙ্করের দাবি, তাঁদের দুই বিধায়কই কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। ভোট দেওয়ার আগে তাঁরা দলের পোলিং এজেন্টদের দেখিয়ে নিয়েছিলেন। দীপঙ্করের বক্তব্য, “এনডিএ সমর্থিত প্রার্থী মুকেশ অম্বানীর রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর কর্তাকে ভোট দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কংগ্রেস ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে।”
ঝাড়খণ্ডের দু’টি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচনে জেএমএম এবং কংগ্রেসের প্রার্থীদের জেতার কথা ছিল। কিন্তু ভোট কাটাকুটির ফলে এনডিএ সমর্থিত প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানি জিতে গিয়েছেন।
লিবারেশন ভোট কাটাকুটির অভিযোগ অস্বীকার করলেও কংগ্রেস নেতা কে রাজু শুক্রবার ফের দাবি করেছেন, “কংগ্রেসের ১৬ জন বিধায়কের ভোট দলের প্রার্থী প্রণব ঝা পেয়েছেন।” এর বাইরে জেএমএম-এর চার বিধায়কের ভোট কংগ্রেসের পাওয়ার কথা। প্রণব ২০টি ভোট পেয়েছেন। সে ক্ষেত্রে আরজেডি ও লিবারেশনের বিধায়কেরা তাদের প্রার্থীকে ভোট দেননি বলে কংগ্রেসের দাবি। আরজেডি-র ভূমিকা নিয়ে কংগ্রেসের একাংশ মনে করছেন, এর আগে বিহারের রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেস বিধায়কেরা আরজেডি প্রার্থীকে ভোট দেননি। তাই আরজেডি ঝাড়খণ্ডে তার প্রতিশোধ নিয়ে থাকতে পারে। আরজেডি অবশ্য দাবি করেছে, লালু প্রসাদের দল কখনও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে পারে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)