×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২১ জুন ২০২১ ই-পেপার

অধীর-কল্যাণে শরিক অধ্যক্ষও

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৫:২৬
অধীর চৌধুরী ও তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

অধীর চৌধুরী ও তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

গত দু’দিন ধরে লোকসভায় চালু রয়েছে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী ও তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক তরজা। আজ লোকসভার শেষ প্রহরে বাংলার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের নেতার মধ্যে বিরোধকে কিছুটা মজা করেই উস্কে দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও গত দু’দিনের মতো অবশ্য তা বড় মাপের বিতর্কের চেহারা নেয়নি।

রাত তখন এগারোটা। অতিমারি সংক্রান্ত বিলের শেষ বক্তা ছিলেন কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী। বক্তব্যের একেবারে শেষে তিনি শাসক বেঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘‘ছয় মাস আগে আমার জেলার হাসপাতালে ভেন্টিলেটর কেনার জন্য জেলা প্রশাসনকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু ছয় মাস পরে আমায় জানানো হয়, কোনও বিক্রেতা না পাওয়ায় ওই ভেন্টিলেটর কেনা যায়নি।’’ অধীর যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা তৃণমূল নেতৃত্বকে ঘুরিয়ে আক্রমণ শানাচ্ছেন, তা বুঝেই স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, ‘‘এর জবাব কল্যাণবাবু দেবেন।’’ তৃণমূল বেঞ্চ নীরব থাকায় এ বার অধীরের প্রশংসায় মুখ খোলেন সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি বলেন, ‘‘আমি অধীর চৌধুরীর প্রশংসা করতে চাই, যিনি সকাল থেকে টানা লোকসভায় বসে রয়েছেন। অন্তত ছ’টি বিলে নিজের বক্তব্য রাখলেন।’’ জোশীর বক্তব্য সমর্থন করেন অন্য বিজেপি নেতারাও। এ বার মুখ খোলেন কল্যাণও। স্পিকারের উদ্দেশে হেসেই বলেন, ‘‘আমাদের তো এতবার সুযোগ দেওয়া হয় না। সুযোগ দিলে ছয় বারের জায়গায় বারো বার বক্তব্য রাখতে পারতাম।’’ যা শুনে হেসে ফেলেন সকলে।

Advertisement
Advertisement