Advertisement
E-Paper

লোকসভার হট্টগোলে বলতেই পারলেন না মোদী! প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাতিল, বিরোধীদের টানা বিক্ষোভে সভা মুলতুবি

সকালে প্রশ্নোত্তরপর্ব থেকেই লোকসভায় বিরোধীদের বিক্ষোভ চলেছে। বিকেলে তা মাত্রা ছাড়ায়। ফের সভা শুরু হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা মুলতুবি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলার সুযোগই পাননি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৫
বুধবার লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

বুধবার লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

লোকসভার অধিবেশনে বলতেই পারলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হট্টগোলের কারণে সভা মুলতুবি হয়ে গিয়েছে। বাতিল করতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ। বুধবার বিকেলে লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবে বলার কথা ছিল মোদীর। কিন্তু সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় সংসদের নিম্নকক্ষে। কখনও চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, কখনও ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতা, কখনও গান্ধী পরিবারকে অপমান প্রসঙ্গে বিরোধীপক্ষ বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক বার সভা মুলতুবি করতে হয়। বুধবার বিকেল ৫টার পর ফের অভিবেশন শুরু হলে বিরোধী সাংসদেরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সভা সম্পূর্ণ মুলতুবি করে দেওয়া হয়।

সকালে প্রশ্নোত্তরপর্ব থেকেই লোকসভায় বিরোধীদের বিক্ষোভ চলে। স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়েছিলেন, সভার সদস্যদের প্রশ্ন করতে দেওয়া উচিত এবং সকলের নিয়ম মেনে গোটা প্রক্রিয়াকে সম্মান করা উচিত। কিন্তু তার পরেও বিক্ষোভ থামেনি। তাই বেলা ১২টা পর্যন্ত সভা মুলতুবি করা হয়েছিল। ফের সভার কাজকর্ম শুরু হলে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে হাতে প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস সাংসদেরা। ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের প্রসঙ্গ ওঠে। ওঠে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার প্রশ্নও। ফের সভা মুলতুবি করা হয় দুপুর ২টো পর্যন্ত।

পরবর্তী ধাপে লোকসভার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তেলুগু দেশম পার্টির সাংসদ কৃষ্ণপ্রসাদ টেনেটি। তিনি বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে ভাষণের অনুমতি দেন। নিশিকান্ত গান্ধী পরিবারকে অপমান করেন বলে অভিযোগ। একাধিক বইয়ের নাম করে করে তিনি বলতে থাকেন, কোন বইতে গান্ধী পরিবারের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কী তথ্য রয়েছে। এতে লোকসভার হট্টগোল আরও বেড়ে যায়। টেনেটি জানান, এই ধরনের মন্তব্যে তিনি অনুমতি দিতে পারবেন না। স্পিকার সভায় এই ধরনের মন্তব্য নিষিদ্ধ করেছেন। বিরোধী সাংসদেরা নিশিকান্তের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন এবং সভার কাজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত মুলতুবি করে দেওয়া হয়।

এই সময়েই শোনা যাচ্ছিল, বিকেল ৫টার পর সভা শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী বলতে পারেন। বিরোধীরাও তৈরি ছিলেন। লোকসভার কার্যক্রম ফের শুরু হলে পরিচালনার দায়িত্ব পান মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সাংসদ সন্ধ্যা রাই। তিনি প্রথমে পিপি চৌধুরীকে বলার অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বিরোধীরা হট্টগোল শুরু করলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বুধবারের মতো সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হয়। বিরোধীরা এতে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়ে গিয়েছেন।’’ লোকসভায় পরের দিন মোদী ভাষণ দেবেন কি না, এখনও স্পষ্ট নয়।

Lok Sabha Narendra Modi BJP Congress
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy