Advertisement
E-Paper

প্রেমে পড়ে বিয়ে, পণের টাকা না পেয়ে চার মাসের মধ্যে স্ত্রীকে বিষ ইঞ্জেকশন দিলেন যুবক, গুরুগ্রামে গ্রেফতার

গুরুগ্রামে এক মহিলাকে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। মাদকের জন্য স্ত্রীর কাছে প্রায়ই টাকা চাইতেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১৫:২১
কাজল শর্মা এবং তাঁর স্বামী অরুণ শর্মা।

কাজল শর্মা এবং তাঁর স্বামী অরুণ শর্মা। ছবি: সংগৃহীত।

গুরুগ্রামে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল এক যুবককে। অভিযোগ, বিষাক্ত ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে স্ত্রীকে খুন করেছেন তিনি। বাড়ির শৌচাগার থেকেই ইঞ্জেকশন পাওয়া গিয়েছে। পুলিশি জেরার মুখে যুবক নিজেও খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বলে দাবি।

উত্তরপ্রদেশের গাজ়িয়াবাদের বাসিন্দা ২৬ বছর বয়সি অরুণ শর্মা পেশায় রেডিয়োলজিস্ট। গাজ়িয়াবাদের একটি হাসপাতালে কাজ করতেন তিনি। সেখানেই ২৩ বছরের কাজলের সঙ্গে পরিচয়। তিনি ওই হাসপাতালের নার্স ছিলেন। বছর দুয়েকের পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তাঁরা। গত নভেম্বরে বিয়ে করেন। কিছু দিন আগে কাজলের বাপের বাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করে টাকা চুরি করে পালিয়েছেন অরুণ। গত শুক্রবার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

কাজলের পরিবারের অভিযোগ, অরুণ মাদকাসক্ত ছিলেন। নিয়মিত নিষিদ্ধ মাদক সেবন করতেন। তার জন্য টাকা চাইতেন স্ত্রীর কাছে। কিছু দিন আগে হাসপাতালের চাকরিও তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন বলে দাবি। টাকা চাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিত্য অশান্তি লেগে থাকত। কিছু দিন আগে কাজল তাই বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। সেখানেও পৌঁছে যান অরুণ। মৃতের ভাই জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে দম্পতির মধ্যে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। সকালে দেখা যায়, ঘরের মধ্যে নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন কাজল। তাঁর মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। শৌচাগারে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জও পাওয়া যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তরুণীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে পণের জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন অরুণ। মারধরও করতেন। টাকা না পেয়ে নিজের মাদকের ইঞ্জেকশনই স্ত্রীর শরীরে ফুটিয়ে দেন। মাদকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কাজলের মৃত্যু হয়েছে। জেরার মুখে সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে পণের কারণে মৃত্যু সংক্রান্ত মামলা রুজু করা হয়েছে। বিয়ের সাত বছরের মধ্যে কোনও মহিলার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে মামলায় এই ধারা যোগ করা হয়। একাংশের মতে, স্ত্রীকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য ছিল না যুবকের। তিনি মাদক নিয়ে তাঁকে সংজ্ঞাহীন করে টাকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। ‘ডোজ়’ বেশি হয়ে যাওয়ায় এই মৃত্যু। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।

Gurugram Dowry Death UP Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy