কন্যাকে চার বছর ধরে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। তাঁর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে শেষে বাড়ি ছেড়ে পালালেন তরুণী। তাঁর বাবা একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নেমে তরুণীকে খুঁজে আনে পুলিশ। কিন্তু তিনি বাড়ি ফিরে যেতে অস্বীকার করেন। কোন বাড়ি ফিরতে চাইছেন না, এর কারণ যখন জানতে চান পুলিশকর্মীরা, তখন আসল ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। গুজরাতের রাজকোটের ঘটনা।
তরুণীর অভিযোগ, বাবা তাঁকে চার বছর ধরে লাগাতার ধর্ষণ করতেন। অত্যাচারের আগে তাঁকে জোর করে পর্নোগ্রাফি দেখানো হত। তার পর জোরে চালিয়ে দিতেন টিভি, যাতে পড়শিরা কেউ কিছু আঁচ করতে না পারেন। নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তাঁর মা ক্যানসার আক্রান্ত। চতুর্থ স্টেজ। একেবারে শয্যাশায়ী। মায়ের ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার খবর জানার পর থেকেই বাড়ির পরিবেশ বদলে যায়। বাবা তাঁর উপর শারীরিক এবং মানসিক ভাবে অত্যাচার শুরু করেন। সেই অত্যাচার দিন দিন বাড়তে থাকে। তাঁর যখন ১৫ বছর বয়স, সেই সময় থেকে অত্যাচার শুরু হয় বলে জানিয়েছেন তরুণী।
আরও পড়ুন:
তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করে। গ্রেফতার করা হয় তরুণীর বাবাকে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। পুলিশের একটি দল তরুণীর বাড়িতে যায়। বাড়ির একটি ঘর থেকে গর্ভনিরোধক ওষুধ, একটি মোবাইল এবং আরও কিছু জিনিস উদ্ধার করে। সেগুলিকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তকে জেরা করে আরও কিছু তথ্য তারা হাতে পেয়েছে। শুধু নিজের কন্যাকেই নয়, এর আগে ভাইঝিকেও বেশ কয়েক বছর ধরে ধর্ষণ করেছেন অভিযুক্ত। সেই ঘটনা আগে কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।