Advertisement
E-Paper

‘মণিপুরে আমরা অসুরক্ষিত, পৃথক হতে চাই’! এ বার বেসুরো বিজেপি বিধায়করাই, অস্বস্তিতে শাসক দল

ওই বিধায়কদের দাবি, মণিপুর সরকারের শাসনে তাঁরা সুরক্ষিত নয়। তাই তাঁরা স্বশাসন চান। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁরা সরাসরি আলাদা রাজ্যের দাবি তোলেননি।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৩ ২০:০৮
Manipur ten tribal MLA’s demand separate administration after recent clashes

এখনও পুরোপুরি শান্ত হয়নি মণিপুর। ফাইল চিত্র।

মণিপুরে এ বার বেসুরো স্বর শোনা গেল শাসক বিজেপির অন্দর থেকেই। চিন, কুকি, মিজো, জোমি-র মতো তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের ১০ বিধায়ক আলাদা শাসন দাবি করলেন। তাঁদের দাবি, বর্তমানে মণিপুর সরকারের শাসনে তাঁরা সুরক্ষিত নন। তাই তাঁরা স্বশাসন চান। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁরা আলাদা রাজ্যের দাবি তোলেননি। তবে তার প্রেক্ষাপট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিজেপিরই একটা অংশ।

১০ জন বিধায়কের মধ্যে ৭ জনই বিজেপি টিকিটে জিতেছেন। ২ জন বিধায়ক স্থানীয় দল কুকি পিপলস অ্যালায়েন্স (কেপিএ)-র সদস্য। ১০ জনের মধ্যে এক জন নির্দল বিধায়কও রয়েছেন। তবে কেপিএ এবং ওই নির্দল বিধায়ক রাজ্যে বিজেপি সরকারের শরিক। এই বিধায়কদের বক্তব্য, মণিপুর সরকার তাঁদের সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। শুক্রবার এই বিধায়কদের মধ্যে এক জন একটি সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “আমরা ভারতের মধ্যেই আলাদা শাসনব্যবস্থায় বাঁচতে চাই এবং মণিপুরের প্রতিবেশী হয়ে শান্তিতে বাঁচতে চাই।” তবে তিনিও সরাসরি আলাদা রাজ্যের দাবি তোলেননি। তবে সেই ব্যাপারে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত আছে তাঁর কথায়। এই ঘটনায় মণিপুর সরকার তো বটেই, নড়েচড়ে বসেছে বিজেপিশাসিত অসম সরকারও। তাদের আশঙ্কা রাজ্যের কুকি চরমপন্থী সংগঠনগুলি এই আবহে আবার সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

Advertisement

সপ্তাহখানেক আগে মণিপুরের চূড়াচাঁদপুরে হিংসার সূত্রপাত ঘটে। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনতা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তাঁরা দীর্ঘ দিন ধরেই তফসিলি জনজাতি (এসটি) তকমার দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাদের এই দাবির বিরোধিতা করছে কুকি, মিজোর মতো জনগোষ্ঠীগুলি। মেইতেইদের দাবির বিরোধিতা করে মণিপুরি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব মণিপুর’ (এটিএসইউএম)-এর তরফে একটি মিছিল বার করা হয়েছিল। সেখান থেকেই সংঘাতের সূচনা। যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। যে হিংসায় প্রায় ৬০ জন মানুষ বলি হন বলে জানান সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy