Advertisement
E-Paper

মন্ত্রী গড়েছেন জঙ্গি দল, অভিযোগ ঝাড়খণ্ডে

রাজ্যের মন্ত্রীই না কি গড়েছেন জঙ্গি সংগঠন! এমন দাবিই করেছে পুলিশের হাতে ধরা পড়া ওই দলের কয়েক জন সদস্য। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ফাঁসানোর জন্য এ সব রটানো হচ্ছে বলে হইচই জুড়েছেন ঝাড়খণ্ডের কৃষিমন্ত্রী যোগেন্দ্র সাউ। বিতর্ক কিছুতেই এড়াতে পারছেন না যোগেন্দ্রবাবু।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:০৭

রাজ্যের মন্ত্রীই না কি গড়েছেন জঙ্গি সংগঠন! এমন দাবিই করেছে পুলিশের হাতে ধরা পড়া ওই দলের কয়েক জন সদস্য। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ফাঁসানোর জন্য এ সব রটানো হচ্ছে বলে হইচই জুড়েছেন ঝাড়খণ্ডের কৃষিমন্ত্রী যোগেন্দ্র সাউ।

বিতর্ক কিছুতেই এড়াতে পারছেন না যোগেন্দ্রবাবু। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে দরবার করেই মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন বলে কয়েক মাস আগে বিতর্ক ছড়িয়েছিলেন হাজারিবাগের বরকাকানার ওই কংগ্রেস বিধায়ক। তার রেশ কাটতে না-কাটতেই ফের নতুন সঙ্কটে পড়লেন যোগেন্দ্র।

পুলিশ জানায়, গত কাল ‘ঝাড়খণ্ড টাইগার’ নামে নতুন তৈরি একটি জঙ্গি সংগঠনের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নাম রাজকুমার গুপ্ত, সন্দীপ সাউ, নকুল সাউ, প্রকাশকুমার সাউ এবং রামচন্দ্র সাউ। নেতা রাজকুমার। সে-ও বরকাকানার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রের খবর, জেরায় জঙ্গিরা জানায়, যোগেন্দ্রবাবুই তাদের সংগঠন গড়েছেন। তাঁর কাছ থেকে নিয়মিত আর্থিক সাহায্যও মেলে। তদন্তকারীদের দাবি, রাজকুমার জেরায় জানিয়েছে, কয়েক বার মন্ত্রীর রাঁচির বাড়িতেও সে গিয়েছিল।

হাজারিবাগের এসপি মনোজ কৌশিক সরাসরি কারও নাম বলেননি। তাঁর মন্তব্য, “ধৃত জঙ্গিরা রাজ্যের এক প্রভাবশালী নেতার কথা জানিয়েছে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে।”

আজ বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে যোগেন্দ্রবাবু বলেন, “আমি অনেক মাওবাদীকে আত্মসমর্পণ করে মূলস্রোতে ফিরতে সাহায্য করেছি। কোনও জঙ্গি দল তৈরি করিনি। বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে।” এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেছেন, “মন্ত্রিসভার কোনও সদস্যের সঙ্গে এ সবের যোগাযোগ থাকলেও আইন আইনের পথে চলবে।”

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সুখদেব ভগত জানিয়েছেন, দলীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের কাছে রাজ্য সরকারকে বরখাস্ত করার দাবি তুলেছেন প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব।

ঝাড়খণ্ডে বিভিন্ন দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে অতীতে জঙ্গিদলের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। লোকসভা নির্বাচনে পলামুর তৃণমূল প্রার্থী কামেশ্বর বৈঠা মাওবাদী কম্যান্ডার ছিলেন। খুঁটি জেলায় জেএমএমের এক প্রথম সারির নেতার সঙ্গে পিএলএফআই জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকার অভিযোগও ছিল।

এ দিকে, নিরাপত্তাবাহিনী এবং মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে একটি ট্রাকের চালক ও খালাসির মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হন ছয় শ্রমিক। আজ ভোরে গুমলার বিষুনপুরের মরওয়াই গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, বক্সাইট বোঝাই ওই ট্রাকটি লুট করার চেষ্টা করেছিল সশস্ত্র জঙ্গিরা। যৌথ বাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে। দু’পক্ষের গুলিতে মৃত্যু হয় চালক হীরালাল ওঁরাও (৩০) এবং খালাসি নীলেশের।

minister terrorist group jharkhand complain national news online news national latest news online
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy