এক নর্তকীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ্যপান করানোর পর ছ’জন মিলে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের পুর্ণিয়া জেলায়। মত্ত এক অভিযুক্তের ফোন থেকেই ১১২ নম্বরে ডায়াল করেন নির্যাতিতা। পরে পুলিশ এসে একটি গুদামের ভিতর থেকে নর্তকীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত ৯টা নাগাদ ওই নর্তকীকে অপহরণ করেন দু’জন। তার পর তাঁকে গাড়ি করে ২৫ কিলোমিটার দূরে একটি গুদামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে আরও চার জন হাজির ছিলেন। পরিত্যক্ত সেই গুদামে নর্তকীকে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ্যপান করানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে নাচতে বাধ্য করানো হয়। তার পর তাঁকে একের পর এক ছ’জন মিলে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। তাঁকে মারধর করা হয় বলেও দাবি নির্যাতিতার।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, নর্তকীকে গণধর্ষণ এবং মারধরের পর গুদামে আটকে রেখে পাঁচ অভিযুক্ত পালান। তবে আর এক অভিযুক্ত এতটাই মত্ত ছিলেন যে, তিনি গুদামেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, মত্ত অভিযুক্তের ফোন নিয়ে ১১২ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান। সঙ্গে ঠিকানাও। সেই খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল গুদামে পৌঁছোয়। রাত তখন সওয়া ১২টা। সূত্রের খবর, গুদামের দরজা ভেঙে গুরুতর জখম অবস্থায় নর্তকীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় মত্ত অভিযুক্তকে। নর্তকীকে উদ্ধার করে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, যে গাড়িতে নর্তকীকে অপহরণ করা হয়েছিল সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুর্ণিয়ার পুলিশ সুপার সুইটি শেরাওয়াত জানিয়েছেন, এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা। নির্যাতিতা আরও দু’জনের নাম জানিয়েছেন। ধৃতকে জেরা করতেই মানবপাচার চক্রের হদিস পাওয়া গিয়েছে। সেই দিকটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার স্বামী বছরখানেক আগে পথদুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। তিনি একাই থাকেন।