বিতর্কিত লিপুলেখ গিরিপথ নিয়ে সম্প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ চিন ও ব্রিটেনের সঙ্গে আলোচনা চেয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে কাঠমান্ডুকে কড়া বার্তা দিল নয়াদিল্লি। ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দুই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।
কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চলের জমি নিয়ে বিবাদ চলছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জায়সওয়াল আজ বলেন, ‘‘ভারত-নেপাল সীমান্তের প্রায় ৯৮ শতাংশই চিহ্নিত। কিছু অংশ এখনও অমীমাংসিত। গণ্ডক নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তের যে সব অংশ ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে জমি দখল এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগও রয়েছে। এই ধরনের সমস্যা সমাধানে ভারত-নেপাল যৌথ ভাবে এলাকাগুলির মানচিত্র তৈরি করছে।’’ অন্য দিকে, নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির সভাপতি রবি লামিছানে তাঁর চলতি ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আলোচনায় ভারত-নেপাল সম্পর্ক উন্নত করা, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বার করার মতো বিষয় উঠে এসেছে। পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
এ দিন পাকিস্তান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দাও করেছেন রণধীর। বিবৃতিটিতে জম্মু ও কাশ্মীরের উল্লেখ রয়েছে। জায়সওয়াল জানিয়েছেন যে, ভারত এই অযাচিত মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)