বিধান পরিষদের সদস্যপদ ছাড়লেন জেডিইউ নেতা তথা বিহারের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সোমবার বিধান পরিষদের (রাজ্য আইনসভার উচ্চ কক্ষ) চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিনিধি মারফত ইস্তফাপত্র জমা দেন নীতীশ। সোমবার বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও। গত ১৬ মার্চ নীতীশ এবং নিতিন— দু’জনেই বিহার থেকে রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বিধান পরিষদের সদস্যপদ ছাড়লেও এখনও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি নীতীশ। বিহারের পরিষদ বিষয়ক মন্ত্রী বিজয়কুমার চৌধরি জানিয়েছেন, যথাসময়ে নিয়ম মেনে ইস্তফা দেবেন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে নীতীশের উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সোমবার প্রতিনিধি মারফত ইস্তফাপত্র জমা দেন বিহারের বাঁকিপুরের বিধায়ক নিতিনও। বিধান পরিষদের সদস্য সঞ্জয় গান্ধী বিহারের পরিষদীয়মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নীতীশের ইস্তফাপত্র চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেন। আর বিহারের বিজেপি সভাপতি সঞ্জয় সারাওগি নিতিনের ইস্তফাপত্র জমা দেন বিধানসভার স্পিকারের কাছে।
নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন, তা হলে ১৪ দিনের মধ্যে যে কোনও একটি থেকে তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে। সেই হিসাবে সোমবারই নীতীশ এবং নিতিনকে ইস্তফা দিতে হত।
রবিবারই বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ছিল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিনের। সেই মতো তড়িঘড়ি দিল্লি থেকে বিহারে ফিরে এসেছিলেন সে রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার প্রেম কুমারও। কিন্তু জরুরি কারণে অন্যত্র চলে যেতে হয় নিতিনকে। তাই স্পিকার অপেক্ষায় থাকলেও রবিবার বিধায়কপদে ইস্তফা দিতে পারেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।