Advertisement
E-Paper

কেতনকে কে ফেললেন? নেই প্রত্যক্ষদর্শী, মেলেনি সে সময়ের সিসিটিভি ফুটেজও! রঘুবংশীর হত্যার মতো রহস্য পুণে মামলায়

তদন্তকারী সূত্রের খবর, সিয়ার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানোর প্রস্তুতি চলছে। এই মামলায় যাতে কোনও রকম ফাঁকফোকর না থাকে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাইছে পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ১৫:৫৯
(বাঁ দিকে) সোনম এবং রাজা রঘুবংশী (মেঘালয় হত্যাকাণ্ড)। (ডান দিকে) কেতন অগ্রবাল এবং সিয়া গোয়ল (পুণে হত্যাকাণ্ড)।

(বাঁ দিকে) সোনম এবং রাজা রঘুবংশী (মেঘালয় হত্যাকাণ্ড)। (ডান দিকে) কেতন অগ্রবাল এবং সিয়া গোয়ল (পুণে হত্যাকাণ্ড)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পুণের ব্যবসায়ীপুত্র কেতন অগ্রবালকে কে ঠেলে ফেললেন লোহাগড় দুর্গ থেকে, তার কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, ঘটনাস্থলের কোনও সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া যায়নি বলে দাবি তদন্তকারীদের। ফলে এই ঘটনায় সিয়া গোয়ল না কি তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধরী, কে অভিযুক্ত তার প্রমাণ জোগাড় করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে তদন্তকারীদের। ইনদওরের যুবক রাজা রঘুবংশীর মতোই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বাড়ছে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

নিউজ় ১৮-কে মহারাষ্ট্র পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, প্রমাণের অভাবে যাতে অভিযুক্তেরা ছাড় না পেয়ে যান, তার জন্য সব রকম ভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে পোক্ত প্রমাণ সংগ্রহের। কী ভাবে সমস্ত প্রমাণ-সহ চার্জশিট তৈরি করা যায়, সেই কাজ করছে পুণে গ্রামীণ পুলিশ। প্রসঙ্গত, মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্ত্রী সোনম এবং তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে রাজা রঘুবংশীকে খুনের অভিযোগ ওঠে। কিন্তু সেই রাজা হত্যাকাণ্ডে যে ধরনের প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে সোনম জামিন পেয়ে গিয়েছেন, সেই ভুল যাতে কেতন হত্যাকণ্ডে না হয়, তাই পোক্ত প্রমাণ সংগ্রহে কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছেন না তদন্তকারীরা। কিন্তু সূত্রের খবর, প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ না মেলায় এই মামলা অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত।

সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা অভিযুক্ত সিয়ার পলিগ্রাফ পরীক্ষার উপরে জোর দিতে চাইছেন। আদালতে এটিকে শুধু প্রমাণ হিসাবেই দেখানো নয়, তদন্তকারীদের বিশ্বাস, এই পরীক্ষা করলে কেতন হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে। যা পরবর্তী কালে ডিজিটালি বা ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করা সহজ হবে। তদন্তকারী সূত্রের খবর, সিয়ার মামলায় যাতে কোনও রকম ফাঁকফোকর না থাকে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাইছেন তাঁরা। যদিও পলিগ্রাফ পরীক্ষাকে একেবারে প্রামাণ্য নথি হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয় না। কিন্তু তদন্তকারীরা চাইছেন, এই পরীক্ষা করলে এমন কিছু তথ্য তাঁদের হাতে আসবে, যা হয়তো অভিযুক্তেরা গোপন করার চেষ্টা করছেন।

তদন্তকারীরা এই প্রশ্নের উত্তরও পেতে চাইছেন, হত্যার আগে সিয়া কি দুর্গের উচ্চতা সম্পর্কে কোনও রকম গবেষণা করেছিলেন, কোথা থেকে ফেললে মৃত্যু নিশ্চিত করা যায়, সে সব নিয়ে তথ্যতালাশ করেছিলেন? তদন্তকারী সূত্রের খবর, পলিগ্রাফ পরীক্ষার মাধ্যমে গোপন তথ্য বার করার চেষ্টা করতে চাইছেন যা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা এটা স্বীকার করেছেন, কেতনকে কে ঠেলে ফেললেন, সেই ঘটনার কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনা যখন ঘটানো হয়েছিল, সেই সময়েরও কোনও সিসিটিভি ফুটেজ নেই। ফলে সিয়া এবং চেতন দু’জনকেই সন্দেহের আওতায় আনা হলেও, কাজটা কে করেছিলেন, সেই প্রামাণ্য তথ্য এখনও হাতে আসেনি তদন্তকারীদের।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন কেতনকে পুণের লোণাবলায় লোহাগড় দুর্গ থেকে ঠেলে ফেলে খুন করার অভিযোগ উঠেছে সিয়া এবং কেতনের বিরুদ্ধে।

Pune

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy