নবরংপুর জেলাকে ‘মাওবাদী মুক্ত’ বলে ঘোষণা করল ওড়িশা। প্রসঙ্গত, শনিবারই সাত মহিলা সদস্য-সহ ন’জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। তার পরই এই ঘোষণা করা হয়। জানা গিয়েছে, যে ন’জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁদের মাথার মিলিত দাম ছিল ৪৭ লক্ষ টাকা। এক বিবৃতি জারি করে জেলা পুলিশ দাবি করেছে, শনিবার ন’জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। এখন থেকে মাওবাদী মুক্ত হল নবরংপুর।
পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা নবরংপুর এবং ছত্তীসগঢ়ের ধামতারি থেকে তাঁদের কার্যকলাপ পরিচালনা করতেন। ঘটনাচক্রে, বেশ কয়েকটি হামলার সাক্ষী এই নবরংপুর। ২০১১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিজেপি বিধায়ক জগবন্ধু মাঝি এবং তাঁর দেহরক্ষী পিকে পাত্রের উপর হামলা চালানো হয় এই জেলাতেই। এ ছাড়াও ২০১০ সালের ১৬ জুলাই রায়গড় ব্লকের কুন্দেই থানায় মাওবাদীরা হামলা চালিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্যের ৩০টি জেলার মধ্যে এখন সাতটি জেলাতেই সক্রিয় মাওবাদীরা। ওই সাত জেলার ছোট ছোট এবং প্রত্যন্ত এলাকায় এখনও সক্রিয় তাঁরা। ওই সাত জেলা হল— কন্ধমল, কালাহান্ডি, বোলাঙ্গির, মালকানগিরি, কোরাপুট, রায়গড় এবং বৌধ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই বলেছিলেন যে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ মাওবাদী মুক্ত হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাওবাদীরা আত্মসমর্ণ করছেন। কোথাও আবার বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীর মৃত্যু হচ্ছে। তবে দলে দলে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের ঘটনা প্রায়শই প্রকাশ্যে আসছে। তার মধ্যে শনিবার নবরংপুরে ন’জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। আর তার পরই প্রশাসন এই জেলাকে ‘মাওবাদী মুক্ত’ বলে ঘোষণা করল।