Advertisement
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
IT Raid in Odisha

‘এত কালো টাকা রাখে কোথায়?’ ৩৫৩ কোটি উদ্ধারের পর কংগ্রেস সাংসদ ধীরজের পুরনো টুইট ভাইরাল

তল্লাশি অভিযান এবং টাকা উদ্ধারের ঘটনার মধ্যেই কংগ্রেস সাংসদের সেই পুরনো পোস্ট নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পোস্টটি করা হয়েছিল ২০২২ সালের ১২ অগস্ট।

কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহু। (বাঁ দিকে) উদ্ধার হওয়া টাকার কিছু অংশ। ছবি: সংগৃহীত।

কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহু। (বাঁ দিকে) উদ্ধার হওয়া টাকার কিছু অংশ। ছবি: সংগৃহীত।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
কলকাতা শেষ আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩:১৮
Share: Save:

তাঁর বাড়ি এবং অফিস থেকে ৩৫৩ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনার মধ্যেই কালোটাকা নিয়ে করা একটি পুরনো টুইট (বর্তমান যা এক্স নামে পরিচিত) ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। তিনি কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহু। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডে তাঁর বাড়ি এবং অফিসের একাধিক ঠিকানায় ছ’দিন ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে আয়কর দফতর।

এই তল্লাশি অভিযান এবং টাকা উদ্ধারের ঘটনার মধ্যেই কংগ্রেস সাংসদের সেই পুরনো টুইট নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পোস্টটি করা হয়েছিল ২০২২ সালের ১২ অগস্ট। সাংসদ সাহু কী লিখেছিলেন সেই পুরনো টুইটে (বর্তমান যা এক্স নামে পরিচিত)?

সাংসদ লেখেন, “নোটবন্দির পরেও দেশ থেকে এত কালোটাকা উদ্ধার হচ্ছে, দেশে এত দুর্নীতি, এ সব দেখে আমি ব্যথিত।” সাহু আরও লেখেন, “আমার তো মাথায় ঢোকে না, লোকজন এত কালো টাকা রাখেন কোথায়? যদি দেশ থেকে কেউ দুর্নীতি দূর করতে পারে, তা হলে কংগ্রেই পারবে।” সাহুর করা ২০২২ সালের সেই পোস্টটিই সমাজমাধ্যমে আবার ভাইরাল হয়েছে। বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য আবার কংগ্রেস সাংসদের সেই লেখাটি পোস্টের পর কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘করাপশন কি দুকান’।

গত ৬ ডিসেম্বর ওড়িশার একটি মদ প্রস্তুতকারক কারখানা বৌধ ডিস্টিলারিজ়ে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দেয়। ওই সংস্থার সঙ্গে জড়িত ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডের বেশ কিছু সংস্থাতেও তল্লাশি অভিযানে যায় আয়কর দফতর। সেই সময় কয়েকশো কোটি টাকা উদ্ধার হয়। তার পর আরও তল্লাশিতে কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহুর নাম উঠে আসে। তার পর সাহুর বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। গত ছ’দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE