নিজের দোকানে বসেই কাজ করছিলেন তিনি। কয়েক জন যুবক এসে তাঁর কাছ থেকে পান চাইল। তা বানিয়েও দিলেন তাদের। এই পর্যন্ত সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল। ঘটনার মোড় ঘুরল যখন তিনি পানের দাম চাইলেন। দোকান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে রড আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারা হল তাঁকে। ওই বৃদ্ধকে যখন পিটিয়ে মারা হচ্ছে, সে সময়ে রাস্তায় আরও অনেকেই ছিলেন! কিন্তু সিনেমায় যেমন হয়, বাহুবলীরা যখন অসহায় মানুষকে পিটিয়ে মারে, সে সময় গোল হয়ে ঘিরে দূর থেকে তা সভয়ে দেখে জনতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতের আমদাবাদেও ঠিক সেটাই হল! বৃদ্ধের নিধন-পর্ব দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখলেন মানুষ। কেউ এগিয়ে এলেন না।
অসহায় ওই বৃদ্ধকে নৃশংস ভাবে মারধরের এই মর্মান্তিক দৃশ্য ধরা পড়েছে দোকানের সিসিটিভি ফুটেজেও। যাতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, আট জন যুবক বৃদ্ধের দোকানে আসে। সেখান থেকে পান কেনে। কিন্তু টাকা না দিয়েই তারা দোকান ছেড়ে চলে যেতে চায়। বৃদ্ধ তাদেরকে বাধা দেন এবং দাম দিতে বলেন।
পুলিশ জানায়, এতেই যুবকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বৃদ্ধকে একা পেয়ে তাঁকে মারধর শুরু করে। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে পুলিশ এলে যুবকেরা পালায়। বৃদ্ধকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সিসিটিভি-র ফুটেজ দেখেই ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে বাকিদের।