ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ যাওয়ার পথে টায়ার ফেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ল যাত্রিবাহী বাসে। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রের রামভদ্রপুরমের কাছে। বাসে মোট ৩৭ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওড়িশার এক জন বিধায়কও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, বাসের সামনের টায়ার আচমকা ফেটে যতেই আগুন ধরে যায়। তার পর সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে বাসের অন্যান্য অংশে। আর এই ঘটনাই স্মৃতি উস্কে দিয়েছে গত বছরের শেষের দিকে যাত্রিবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার। যে ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আচমকাই জোরালো একটা আওয়াজ হয়। তার পরই বাসে আগুন ধরে যায়। চালক বিষয়টি বুঝতে পেরেই যাত্রীদের সতর্ক করেন। বাস থামিয়ে দ্রুত যাত্রীদের নামার ব্যবস্থা করেন। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। বাসের ভিতরে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল। ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটনায় তখন যাত্রীরা ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। কিন্তু চালকের তৎপরতায় সব যাত্রীকেই সময় মতো বাস থেকে বার করে আনা সম্ভব হয়। পুরো বাসটি মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গ্রাসে চলে যায়।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ৩৭ জন যাত্রীর মধ্যে ওড়িশার চিত্রকোন্ডার বিধায়ক মাঙ্গু খিল্লোও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘ভুবনেশ্বরের রসুলগড় বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে উঠেছিলাম। রাত ৩টের সময় রামভদ্রপুরমের কাছে বাসে আগুন ধরে যায়। পুরো বাসটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সৌভাগ্যবশত, সকল যাত্রীকে সময়মতো বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার পর আমাদের অন্য একটি বাসে করে গন্তব্যে রওনা করিয়ে দেওয়া হয়।’’
প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে একটি বাইকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে যাত্রিবাহী বাসে আগুন ধরে যায়। বাসটি হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিল। তাতে মোট ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২০ জনের ঝলসে মৃত্যু হয়।