Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ই-পেপার

Coronavirus in India: দেশের আকাশে এখনও করোনা-শঙ্কার মেঘ, রেহাই নেই, আগামী বছরও পরতে হবে মাস্ক

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:২৮
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

আগামী বছরেও মাস্ক সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে মানুষকে। কারণ কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিষেধক ও ওষুধের মতোই সুশৃঙ্খল সামাজিক আচরণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পল। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে না দিয়েই তিনি বলেছেন, সামনে খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে দেশকে। বিশেষত এই মরসুমে, যখন একের পর এক উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যগুলি।

সোমবার একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভি কে পল বলেছেন, ‘‘মাস্ক পরা এত সহজে বন্ধ হবে না। পরের বছরেও আমাদের মাস্ক পরতে হবে। আমার মতে প্রতিষেধক, ওষুধ ও দায়িত্বপূর্ণ আচরণ— এই তিন অস্ত্রে নিস্তার পাওয়া যেতে পারে করোনা থেকে।’’ কোভিডের বাড়বাড়ন্ত রুখতে কার্যকর ওষুধ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তিনি। এ দিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৪০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৩৯ জনের। গত কয়েক দিন ধরে দেশে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও কাটেনি বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞেরা। এই আশঙ্কাকে সমর্থন করে ভি কে পলের বক্তব্য, আগামী কয়েক মাস দুর্গাপুজো, দীপাবলি, দশেরার মতো উৎসব পালন হবে দেশ জুড়ে। এই অনুষ্ঠানগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অতিমারি ফের ব্যাপক হারে ছড়াবে।

গত কাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া জানান, জানুয়ারিতে টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭৫ কোটির বেশি ডোজ় দেওয়া হয়েছে দেশ জুড়ে। ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৪৩ শতাংশ মানুষের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হবে বলে আশাবাদী তিনি। যদিও চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরে প্রশ্ন উঠেছে, ওই লক্ষ্য কি তা হলে পূরণ হবে না?

Advertisement

দেশে টিকার টানাটানি। তবু ভারত থেকে টিকা রফতানির সম্ভাবনা নিয়ে এ দেশের বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালাচ্ছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত ‘কোয়াড’ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ বৈঠকে আগামী সপ্তাহে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যেখানে মূল আলোচ্য বিষয়ই হল বিশ্বব্যাপী অতিমারি। বাইডেন প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, ‘‘নিরাপদ ও কার্যকর কোভিড টিকার বৃহত্তম উৎপাদক দেশ হিসেবে আমরা ভারতকে বিশেষ চোখে দেখি। অতিমারির অবসানের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সব মিত্র দেশগুলির সহযোগিতা প্রয়োজন আমেরিকার। ভারতও সেই তালিকায় রয়েছে।’’

আরও পড়ুন

More from My Kolkata
Advertisement