মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে আয়কর দফতরের বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছিলেন বেঙ্গালুরুর রিয়্যাল এস্টেট কর্তা সিজে রয়। তাঁর বেঙ্গালুরুর অফিসে তল্লাশি অভিযান নিয়ে আয়কর দফতরের সঙ্গে আইনি ‘লড়াই’ শুরু হয়। সূত্রের খবর, পিটিশন দাখিল করার পরেও তা তিনি তুলে নেন। কেন পিটিশন তুলে নিলেন, এই সময়ের মধ্যে কী হয়েছিল, তা নিয়ে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে।
গত ৩০ জানুয়ারি রয়ের বেঙ্গালুরুর অফিসে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিলেন আয়কর আধিকারিকেরা। সেই তল্লাশির মাঝেই নিজের অফিসের কেবিনে গিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। রিয়্যাল এস্টেট কর্তার মৃত্যুর পর নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে আয়কর হানার বিরুদ্ধে রয়ের করা পিটিশন এবং তার আবার তুলে নেওয়ার বিষয়টি।
সূত্রের খবর, গত ১৬ ডিসেম্বর রয়ের বেঙ্গালুরুর সংস্থা-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। তার পরই তিনি এই তল্লাশি অভিযানের বিরুদ্ধে কর্নাটক হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। এনডিটিভি-র প্রতিবেদন বলছে, ওই পিটিশনে রয় দাবি করেছিলেন, এই আয়কর হানা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারণ এই অভিযান চালাচ্ছেন কেরলের কোচির আয়কর আধিকারিকেরা। যদিও তাঁর ব্যবসার সব কিছুই বেঙ্গালুরুকে কেন্দ্র করে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি সমনকে ব্যবহার করে একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, সাক্ষী হিসাবে স্থানীয় কাউকে কাজে লাগানো হচ্ছে না। এই তল্লাশির যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পিটিশন দাখিল করেন রয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৬ ডিসেম্বর প্রাথমিক শুনানি ছিল। সেই সময় আয়কর দফতর আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় চেয়ে নেয়। তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের বিষয়টি খারিজ করে আদালত। কিন্তু ১৮ ডিসেম্বর পিটিশন তুলে নেন রয়। কিন্তু কেন তিনি পিটিশন তুলে নিচ্ছেন, সেই কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানাননি। সিট তদন্ত শুরু করতেই মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে যান রয়। কিন্তু কেন তিনি পিটিশন তুলে নিয়েছিলেন, সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে।