Advertisement
E-Paper

আদালতে মুক্তি চেয়ে ডন রশিদ

রাজীব গাঁধীর হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ১৯৯১-তে। তার দু’বছর পরে কলকাতার বৌবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।টাডায় বন্দি সেই বিস্ফোরণের প্রধান আসামি রশিদ খানের যুক্তি— পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে মুক্তি দিতে রাজি। কিন্তু রাজীব গাঁধীর হত্যাকারীদের জন্য তাঁকেও জেলে আটকে থাকতে হচ্ছে।

প্রেমাংশু চৌধুরী

শেষ আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৫৭
 রশিদ খান

রশিদ খান

রাজীব গাঁধীর হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ১৯৯১-তে। তার দু’বছর পরে কলকাতার বৌবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

টাডায় বন্দি সেই বিস্ফোরণের প্রধান আসামি রশিদ খানের যুক্তি— পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে মুক্তি দিতে রাজি। কিন্তু রাজীব গাঁধীর হত্যাকারীদের জন্য তাঁকেও জেলে আটকে থাকতে হচ্ছে। কারণ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, টাডার মতো কেন্দ্রীয় আইনে বন্দি কাউকে মুক্তি দিতে হলে কেন্দ্রের অনুমোদন লাগবে। এই জন্যই মুক্তি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রশিদ।

বৌবাজারে ১৯৯৩-র ১৫ মার্চের বিস্ফোরণে অন্তত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়। সাট্টা ডন রশিদ খান ১৯৯৩ থেকেই জেলে। ২০০১-এ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় টাডা আদালত। সুপ্রিম কোর্টে রশিদ খান আজ আবেদন জানিয়েছেন, তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিক আদালত। কারণ, একই মামলায় তাঁর সঙ্গে যাবজ্জীবন প্রাপ্ত পান্নালাল জয়সোয়ারা দু’বছর আগে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন।

রশিদের আইনজীবী কবীরশঙ্কর বসু বলেন, ‘‘তথ্যের অধিকার আইনে বাবার মুক্তির বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন রশিদের ছেলে ফরিদ খান। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, গত বছর ২৫ মার্চ স্বরাষ্ট্রসচিবের নেতৃত্বে রাজ্যের শাস্তি পর্যালোচনা বোর্ডের বৈঠকে রশিদ খানকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তই হয়। কিন্তু এর পর ২৩ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, কেন্দ্রীয় আইনে কাউকে মুক্তি দিতে হলে কেন্দ্রের অনুমোদন চাই। এর পরে বিষয়টি ঝুলে যায়।’’ আইনজীবী জানান, রশিদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছেও আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু জবাব মেলেনি।

কেন সুপ্রিম কোর্ট ওই নির্দেশ দিয়েছিল? জয়ললিতা সরকার রাজীব গাঁধীর সাত জন হত্যাকারীকে মুক্তি দিতে চেয়েছিল। কেন্দ্র তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেলে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়— কেন্দ্রীয় আইনে বা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সাজাপ্রাপ্ত কোনও বন্দিকে মুক্তি দিতে হলে কেন্দ্রের অনুমোদন নিতে হবে। রশিদের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ ভাবে আদালত কাউকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও ১৪ বছর কেটে যাওয়ার পরে রাজ্য সরকার তাঁকে ছেড়ে দিতে পারে। রাজ্য সরকার সূত্রের খবর, বছর তিন-চার আগেও রশিদ সম্পর্কে কলকাতা পুলিশের কর্তাদের মনে সংশয় ছিল। এখন আর তা নেই।’’

Don Rashid khan Supreme court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy