Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

দেশে ফিরেই ম্যারাথন বৈঠকে প্রিয়ঙ্কা, কংগ্রেস দফতরে ঘর রাহুলের পাশেই

নিজস্ব প্রতিবেদন
নয়াদিল্লি ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৩০
আকবর রোডের অফিসে বসল প্রিয়ঙ্কার নেমপ্লেট। নিজস্ব চিত্র।

আকবর রোডের অফিসে বসল প্রিয়ঙ্কার নেমপ্লেট। নিজস্ব চিত্র।

আমেরিকাতে বেশ কয়েক দিনের ব্যক্তিগত ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন প্রিয়ঙ্কা। এক দিন পর অর্থাৎ মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ২৪ আকবর রোডে কংগ্রেসের সদর দফতরে বসে গেল তাঁর ‘নেমপ্লেট’। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধীর পাশের ঘরটিই বরাদ্দ করা হয়েছে নতুন সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কার জন্য।

গতকাল আমেরিকা থেকে ফিরে দেশে পা দিয়েই প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, আনুষ্ঠানিক ভাবে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদে এখনও দায়িত্বভার না নিলেও, তার জন্য অপেক্ষা করার সময় তাঁর নেই। সোমবারই তুঘলক লেনে রাহুল গাঁধীর বাসভবনে সঙ্গে একটি বৈঠক সেরে ফেলেন তিনি। সূত্রের খবর, রাহুলের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন কংগ্রেস নেতাও ছিলেন সেখানে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েক জন কংগ্রেস নেতাকে ফোন করেও সেখানে দলের হালহকিকত নিয়ে খোঁজখবর নেন।

সোমবার যে রাজনৈতিক কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটালেন প্রিয়ঙ্কা, তার রেশ পাওয়া গেল আকবর রোডে কংগ্রেস দফতরেও। সকালেই কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর নেমপ্লেট বসে গেল কংগ্রেস সদর দফতরে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধীর পাশের ঘরটিই বরাদ্দ করা হয়েছে তাঁর জন্য। অর্থাৎ, ভাই-বোন এখন বসবেন পাশাপাশিই। প্রসঙ্গত, এখন প্রিয়ঙ্কার জন্য যে ঘরটি বরাদ্দ করা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার আগে এখানেই বসতেন রাহুল নিজে।

Advertisement

আরও পড়ুন: গ্রেফতার নয়, রাজীব কুমারকে সিবিআই জেরায় বসার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

বৃহস্পতিবারই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে খোঁজখবর নিতে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাহুল। সেখানেও উপস্থিত থাকবেন প্রিয়ঙ্কা, এমনটাই জানা যাচ্ছে কংগ্রেস সূত্রে। এর পরই দলের প্রচার কৌশল ঠিক করতে শনিবার ফের বৈঠকে বসছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। সেই বৈঠকেও উপস্থিত থাকবেন প্রিয়ঙ্কা, মিলছে সেই খবরও।

আরও পড়ুন: মমতার ধর্নায় রাজীব কেন? শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য মুখ্যসচিবকে ব্যবস্থা নিতে বলল কেন্দ্র

এই নির্বাচনে সমস্যাসঙ্কুল পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বভার প্রিয়ঙ্কার কাঁধে। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ বিজেপির বরাবরের শক্ত ঘাঁটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বারাণসী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের গোরক্ষপুর সহ বিভিন্ন বিজেপি হেভিওয়েটদের নির্বাচনী কেন্দ্র পডে় এই অঞ্চলেই। অন্য দিকে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। সূত্রের খবর, আগাম রণকৌশল ঠিক করতে সোমবারই রাহুল, জ্যোতিরাদিত্য এবং উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বরের সঙ্গে একটি বৈঠক ইতি মধ্যেই সেরে ফেলেছেন প্রিয়ঙ্কা। তাঁর গতিবিধি থেকে পরিষ্কার, আপাতত উত্তরপ্রদেশের লড়াইতে আন্ডারডগ হিয়েবে শুরু করলেও লড়াই শেষ না হওয়া পর্যন্ত ম্যাচ হারতে রাজি নন প্রিয়ঙ্কা।

(ভারতের রাজনীতি, ভারতের অর্থনীতি- সব গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের দেশ বিভাগে ক্লিক করুন।)

আরও পড়ুন

Advertisement