জওহরলাল নেহরু যদি বেঁচে থাকতেন, তা হলে দলিত নেতা কাঁসিরাম কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী হতেন বলে দাবি করলেন রাহুল গান্ধী।
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের আগে মায়াবতীর দলিত ভোটব্যাঙ্কে ভাগ বসানোর লক্ষ্যে আজ লখনউতে সংবিধান সম্মেলনে যোগ দেন রাহুল। রবিবার কাঁসিরামের জন্মদিবস পালনের আগে আজ এই সংবিধান সম্মেলনের আয়োজন করে কংগ্রেস। এর মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশে সংবিধান যাত্রা শুরু করছে তারা। আজ সেই সম্মেলনেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, কাঁসিরাম যখন রাজনীতিতে আসেন, সেই সময় জওহরলাল নেহরু বেঁচে থাকলে তিনি কাঁসিরামকে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী করতেন।
নেহরুর মৃত্যু হয়েছিল ১৯৬৪ সালে। কাঁসিরাম দলিত নেতা হিসেবে রাজনীতিতে আসেন ১৯৭৮ সালে। তার পরে তিনি ১৯৮৪ সালে বহুজন সমাজ পার্টি তৈরি করেন। কাঁসিরামের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী মায়াবতীর সঙ্গে কংগ্রেসের অধিকাংশ সময়েই রাজনৈতিক বিবাদ ছিল। আগামী বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাহুল সামাজিক ন্যায়ের মন্ত্রে বিএসপি-র দলিত ভোটব্যাঙ্কে ভাগ বসাতে চাইছেন। মায়াবতী এখন বিজেপির সঙ্গে আপস করে ফেলেছেন বলে কংগ্রেসের অভিযোগ। রাহুল আজ বলেছেন, মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধী বা ভীমরাও অম্বেডকরের মতোই কাঁসিরাম কখনও নীতির সঙ্গে আপস করেননি।
লখনউয়ের সভা থেকে রাহুল আজ ফের অভিযোগ তুলেছেন, তেলমন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরীর মেয়ের সংস্থায় জর্জ সোরোস, জেফ্রি এপস্টিনের টাকা ঢুকেছে। গত কাল লোকসভায় এই অভিযোগ তুলেছিলেন রাহুল। আজ তিনি বলেন, “হরদীপ পুরী আগে থেকেই আপস করে ফেলেছেন। তাঁর নাম এপস্টিন ফাইলে রয়েছে। তিনি এপস্টিনের বন্ধু ছিলেন। তাঁর মেয়ের সংস্থায় জর্জ সোরোসের টাকা ঢুকেছে। আমি সংসদে এ কথা বলতেই লোকসভার স্পিকার আমাকে থামিয়ে দিয়েছেন।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)