মাঝে দু’-তিন দিন ঝলমলে রোদ উঠেছিল উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু বাজেট পেশের দিন, রবিবার আবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হল পার্বত্য অঞ্চলে। এমনকি, ছাড় পেল না সমতলও। পার্বত্য অঞ্চলে হল তুষারপাতও। ভারতীয় মৌসম ভবন বলছে, দু’টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই আবার হাওয়াবদল উত্তর ভারতে। পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিম হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে। আকাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে উত্তর ভারতের বহু জায়গায় বেড়েছে তাপমাত্রা। তবে মেঘ সরলে আবার কনকনে ঠান্ডা পড়তে পারে।
গত কয়েক সপ্তাহে জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড, হিমাচলের বেশ কিছু এলাকায় টানা বৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বরফ পড়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, বিরতির পরে দ্বিতীয় ইনিংসে সে ভাবে টানা বৃষ্টি হবে না। ভারী বৃষ্টিও হবে না। তবে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। জম্মু ও কাশ্মীর এবং হিমাচল প্রদেশে আরও বেশি বরফ পড়বে। দু’টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবেই এই হাওয়াবদল হল উত্তর ভারতে। আবহবিদেরা বলছেন, মেঘ ক্রমে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লির দিকে সরে যাবে। মেঘ সরলে আবার বাড়বে ঠান্ডা।
শনিবার রাত থেকে দিল্লি এবং সংলগ্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আকাশ মেঘে ঢাকা থাকার কারণে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, উত্তর-পশ্চিম ভারতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। তার পরে চার দিন সেই তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। সঙ্গে বইবে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া। সে কারণে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের কিছু অংশে আবার কনকনে ঠান্ডা পড়তে পারে। শ্রীনগর, হিসারে তাপমাত্রা ঝপ করে নামতে পারে অনেকটাই।
তবে গোটা ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে একটু বেশিই থাকবে। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। বৃষ্টিপাতও হবে কম। উত্তর-পশ্চিম ভারতে ওই সময়ে যা বৃষ্টি হওয়ার কথা, তার চেয়ে ৭৮ শতাংশ কম হবে।