×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৫ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

২৬/ ১১-র ‘ভয়াবহ ধ্বংসলীলা’ ভুলতে পারেননি রতন টাটা

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ২৬ নভেম্বর ২০২০ ১৮:৪৫
মুম্বই হামলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট রতন টাটার।— ফাইল চিত্র

মুম্বই হামলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট রতন টাটার।— ফাইল চিত্র

ভয়াবহ ধ্বংসকে’ কখনই ভোলা যাবে না। ১২ তম বর্ষপূর্তিতে মুম্বই হামলাকে এ ভাবেই স্মরণ করলেন রতন টাটা। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার নিশানা ছিল টাটা গোষ্ঠীর তাজমহল প্যালেস হোটেলও। রক্তের দাগ লেগেছিল মুম্বইয়ের ‘তাজ’-এও। নিজের টুইটার এবং ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সে দিনের দগদগে ক্ষতের কথাই এ দিন তুলে ধরেছেন রতন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে লড়াই চালিয়েছিলেন মুম্বইবাসী— সে কথাও বলেছেন তিনি।

রতন লিখেছেন, ‘‘আমরা যাঁদের হারিয়েছি তাঁদের নিয়ে শোকপ্রকাশ করছি, যে সব বীর আত্মত্যাগ করেছেন তাঁদের সম্মান জানাচ্ছি, কিন্তু একতা, উদারতা এবং সংবেদনশীলতারও প্রশংসা করতে হবে। তার লালনপালন করতে হবে। আশা করছি তা সুদূর ভবিষ্যতেও উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।’’

Advertisement

মুম্বই হামলার সময় জঙ্গিদের অন্যতম নিশানা ছিল তাজ হোটেল। সেখানে হত্যালীলা চালিয়েছিল আমির আজমল কাসভ এবং তার সহযোগীরা। জঙ্গিদের বোমা এবং গুলিতে হোটেলের মধ্যেই নিহত হয়েছিলেন ওই হোটেলের কর্মী এবং অতিথি-সহ ৩১ জন। আহত হয়েছিলেন বহু।

আরও পডুন: শ্রীনগরের কাছেই জঙ্গি হামলা, গুলির লড়াইয়ে নিহত দুই সেনা জওয়ান

আরও পডুন: উত্তর ভারত কাঁপছে তুষারপাতে, দোসর বৃষ্টিতে জটিল পরিস্থিতি, পর্যটকদের পোয়াবারো

এক দশকেরও বেশি সময় পর, হামলার ক্ষত সারিয়ে ফের সেজে উঠেছে তাজ। ২০০৯ সালে হোটেলের নিহত হওয়া ৩১ জনের স্মরণে একটি স্মারকেরও উদ্বোধন করেন রতন। মুম্বইয়ের তাজ হোটেল ছাড়াও, লিওপোল্ড কাফে, ওবেরয়, নরিম্যান হাউস এবং ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস স্টেশনে হামলা চালিয়েছিল লস্কর জঙ্গিরা। মৃত্যু হয়েছিল মোট ১৬৬ জনের।

Advertisement