গত এক বছরে অসম সহ দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন কাছাড়ের ১৫ জন নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশ বিভাগ তাঁদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রত্যেক শহিদ-রক্ষীর পাড়ায় বা স্কুলে স্মরণসভার আয়োজন করা হবে। সে জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-দের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা শহিদের পরিবারের সদস্যদের সভায় ডেকে নিয়ে সংবর্ধনা-সম্মান জানাবেন।
আজ ছিল আসাম পুলিশের শহিদ স্মরণ দিবস। জেলা পর্যায়ে দিনটি পালন করা হয়। শিলচরেও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে শহিদ বেদী তৈরি করে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করা হয়। তাঁদের প্রতি সম্মান জানাতে শূন্যে তিন রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। অন্যান্য সামরিক কায়দায়ও তাঁদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেখানেই পুলিশ কর্তারা জানান, রাজ্য পুলিশ কিংবা সিআরপি, বিএসএফ বা সেনা জওয়ান প্রত্যেক শহিদ নিরাপত্তা রক্ষীর জন্য পৃথক স্মরণসভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এ বার। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাছাড়ের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ সভা।
করিমগঞ্জেও পালিত হল পুলিশের শহিদ দিবস। ১৯৫৯ সালের ২১ অক্টোবর লাদাখে ১০ সিআরপি জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। সেই দিনটিকে পুলিশ শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
অসমের প্রতিটি জেলায় এই দিবস পালন করতে রাজ্য সরকারের তরফে জেলাগুলির পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাতে বলা হয়, রাজ্য পুলিশের শহিদ জওয়ানদের স্কুলে স্কুলে ওই অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।
আজ করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার প্রদীপরঞ্জন কর কুশিয়ারকুল বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র কনস্টেবল অমরেন্দ্র কুমার দাসের শহিদ স্মরণে যান। জুমবস্তি এলাকার স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র নায়েক নিখিলচন্দ্র নাথকে শ্রদ্ধা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নবীন সিংহ। ভাঙ্গা এলাকার একটি স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া কনস্টেবল দ্বিজেন্দ্র কুমার দাসকে সম্মান জানান ডিএসপি সদর রণবীর শর্মা। অসমের স্কুলগুলিতে পুজোর ছুটি থাকায় ছাত্রছাত্রীরা তেমন ভাবে ওই সব অনুষ্ঠানে সামিল হতে পারেনি।