মন্ত্রী, ক্যাবিনেট সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের খরচ এবং বিদেশি অতিথিদের আতিথেয়তা ও বিনোদনের জন্য ১,১০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল বাজেটে, যা গত আর্থিক বছরে ছিল ৯৭৮ কোটি টাকা। রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের পেশ করা বাজেটে এই প্রস্তাব রয়েছে।
তার মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের খরচের খাতে বরাদ্দ হল ৬২০ কোটি টাকা, যা পূর্বে ছিল প্রায় ৪৮৪ কোটি টাকা।
এ ছাড়াও, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের খাতে কমেছে বরাদ্দ। ২০২৫-২৬ আর্থবর্ষে যা ছিল প্রায় ২৮০ কোটি টাকা। সেখানে ২০২৬-২৭ সালে হল প্রায় ২৫৭ কোটি টাকা। এই বরাদ্দ ধার্য হয়েছে প্রশাসনিক ব্যয় এবং মহাকাশ কেন্দ্রিক কর্মসূচির খরচ বহন করার জন্য।
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা পিএমও-র প্রশাসনিক ব্যয় বহন করার জন্য ৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। গত বছর যা ছিল ৬৮ কোটি টাকা।
সরকারি সফরে ভারতে আসা বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়ন এবং আতিথেয়তা বাবদ ৫ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রাক্তন রাজ্যপালদের সচিবালয় সহায়তা খরচের খাতে প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ১ এপ্রিল থেকে চালু হতে চলেছে নতুন আয়কর আইন। বাজেট পেশের সময় জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নির্মলা জানালেন, নতুন আয়কর আইনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চাকরির উপর কতটা প্রভাব ফেলছে, তার মূল্যায়ন করতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। বাজেটে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
- নির্মলা জানিয়েছেন, তিনটি ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ’ তৈরি হবে দেশে। সারা দেশে ১৬ হাজার নতুন সেকেন্ডারি স্কুল তৈরি হবে। প্রতি জেলায় তৈরি হবে একটি করে মহিলাদের হস্টেল।
-
শিলিগুড়ি থেকে বুলেট ট্রেন! ৩ ঘণ্টারও কম সময়ে পৌঁছোনো যাবে বারাণসী, রেল বাজেটে কত কোটি টাকা পেল পশ্চিমবঙ্গ
-
PREMIUMবরাদ্দ ‘অতি সামান্য’! ক্ষুদ্র শিল্প নিয়ে বাজেট-প্রস্তাবে কেউ খুশি, কারও মুখ ভার
-
PREMIUMআমদানি শুল্ক সংস্কারে জোর, বিদেশ থেকে পণ্য আনার পথ সহজ করার বার্তা বাজেটে
-
PREMIUMখরচই হয়নি গত বারের টাকা, সামাজিক উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী
-
PREMIUMজোড়া সমস্যা মেটানোর চেষ্টা, বিদেশি লগ্নি টানতে নির্মলার অস্ত্র ডেটা সেন্টার এবং অনাবাসীরা