Advertisement
E-Paper

সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তৃতীয় সারিতে কেন রাহুলের আসন? কেন্দ্রকে কটাক্ষ কংগ্রেসের, কী বলছে প্রোটোকল

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে প্রোটোকল বলছে, সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে কোথায় কে বসবেন, তা স্থির করে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৪
সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তৃতীয় সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর একেবারে সামনের সারিতে (বাঁ দিকে) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান।

সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তৃতীয় সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর একেবারে সামনের সারিতে (বাঁ দিকে) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। ছবি: পিটিআই।

দিল্লিতে কর্তব্যপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে। তাঁদের আসন ছিল তৃতীয় সারিতে। এই নিয়ে এ বার কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দাগল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, প্রোটোকল ভেঙেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার।

সোমবারের অনুষ্ঠানে প্রথমে রাহুলের পাশেই তৃতীয় সারিতে বসেছিলেন খাড়্গে। পরে তাঁকে সামনের সারিতে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের পাশে এনে বসানো হয়। তবে রাহুল ছিলেন তৃতীয় সারিতেই। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘‘দেশের বিরোধী নেতাদের সঙ্গে এই ব্যবহার কি প্রোটোকল, প্রথা, শালীনতার সঙ্গে যায়? হীনন্মন্যতা থেকে হতাশা তৈরি হয়েছে এই সরকারের।’’ কংগ্রেস সাংসদ মণিকম টেগোর ২০১৪ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে লালকৃষ্ণ আডবাণী বিরোধী নেতা হিসাবে কোন সারিতে বসেছিলেন, তার উল্লেখ করে বিজেপি-কে খোঁচা দিয়েছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘খড়্গে এবং রাহুলজিকে অপমান করতে চেয়েছেন মোদী এবং শাহ।’’

যদিও ২০১৪ সালে আডবাণী লোকসভা বা রাজ্যসভায় বিরোধী দলের নেতা ছিলেন না। তবে ছবিতে রাজ্যসভার তৎকালীন বিরোধী দলনেতা অরুণ জেটলিকেও সামনের আসনেই বসতে দেখা গিয়েছে ছবিতে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে প্রোটোকল বলছে, সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে কোথায় কে বসবেন, তা স্থির করে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়। ‘টেবল অফ প্রিসিডেন্স’ জারি করে তারা। সেই তালিকায় প্রিসিডেন্স বা অগ্রাধিকারের বিন্যাসে সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা। সেই বিন্যাস অনুসারে রাষ্ট্রপতির পরে উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্যপাল, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপ-প্রধানমন্ত্রী, ভারতের প্রধান বিচারপতি, লোকসভার স্পিকার, মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীরা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরা ‘অগ্রাধিকার’ পাবেন।

কংগ্রেসের কটাক্ষের পরে বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, রাহুল তাঁর আসন নিয়ে মোটেও চিন্তিত ছিলেন না। কর্তব্যপথে দেশ যখন ব্রহ্মসের সাফল্য উদ্‌যাপন করছিল, তখন তিনি মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন। অন্য দিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা রাহুলের দিকে আঙুল তুলে দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ‘অ্যাট হোম’ অনুষ্ঠানে তাঁর দেওয়া অসমের গামোসা না পরে উত্তর-পূর্ব ভারতকে অপমান করেছেন। রাষ্ট্রপতিকেও অপমান করেছেন। ওই অনুষ্ঠানে সকলে অসমের গামোসা দিয়েছিলেন দ্রৌপদী।

Republic day
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy