কাঠ চোরাচালান রুখতে গিয়েছিল পুলিশ। পাল্টা তাদেরই ঘেরাও করা হয়। বাধা পেয়ে গুলি চালায় পুলিশ। তাতে অসম-মেঘালয় সীমানায় মারা গিয়েছেন ছ’জন। মৃতদের মধ্যে তিন জন খাসি সম্প্রদায়ের। এক বনরক্ষীরও মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে উত্তপ্ত সীমানা এলাকা। বন্ধ রাখা হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। সমাজ মাধ্যমের সংযোগও নেই।
মঙ্গলবার ভোর ৩টে নাগাদ মেঘালয় সীমানায় একটি কাঠবোঝাই ট্রাক আটকায় অসমের বন দফতর। ট্রাক নিয়ে চালক পালানোর চেষ্টা করলে গুলি চালান বনকর্মীরা। ট্রাকের টায়ার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। ট্রাকের চালক, খালাসি এবং আরও এক জন আটক হন। বাকিরা পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
জিরিকেনডিং থানায় খবর দেন বনকর্মীরা। পুলিশ যতক্ষণে সেখানে পৌঁছয়, ততক্ষণে ধুন্ধুমার কাণ্ড শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোর পাঁচটা নাগাদ মেঘালয়ের কিছু বাসিন্দা দা হাতে এসে চড়াও হন। আটকদের ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে বনকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের ঘেরাও করেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তার পরেই উত্তাপ ছড়ায়। যোরহাটের অসম-মেঘালয় সীমানায় গাড়ি আটকে চলছে তল্লাশি। গুজব আটকাতে বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।