পথকুকুরদের নিয়ে পূর্ববর্তী নির্দেশে সামান্য পরিবর্তন করার আর্জির শুনানি শেষ হল সুপ্রিম কোর্টে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে বৃহস্পতিবার ওই মামলায় রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। এই মামলায় আইনজীবী গৌরব অগরওয়ালকে আদালতবান্ধব (অ্যামিকাস কিউরি) হিসাবে নিয়োগ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। পঞ্জাব, তামিলনাড়ু, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা বৃহস্পতিবার আদালতে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য শোনার পরে রায়দান স্থগিত রাখে আদালত।
গত বছর সুপ্রিম কোর্টে পথকুকুর সংক্রান্ত মামলায় এক নির্দেশ দিয়েছিল। স্কুল, রেলস্টেশন, হাসপাতাল চত্বর থেকে পথকুকুরদের সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছিল, নির্বীজকরণের জন্য পথকুকুরদের যে সব এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে আর তাদের ফেরানো চলবে না। আদালতের ওই সময়ের নির্দেশ অনুসারে, নির্বীজকরণের পর পথকুকুরদের ঠাঁই হবে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রেই। পরে তা পরিবর্তন করে বন্ধ্যাত্বকরণে জোর দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
পরবর্তী সময়ে ওই নির্দেশ পরিবর্তনের আর্জিতে বেশ কিছু আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। ওই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, “এমনিতে এত আবেদন তো সাধারণ মানুষের মামলাতেও জমা পড়ে না।” গত ৭ জানুয়ারি এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, “এটি শুধু কুকুরের কামড়ানোর বিষয় নয়। কুকুরদের কারণে যে বিপদের আশঙ্কা থাকে, তা-ও (দেখা দরকার)। দুর্ঘটনাও ঘটে। আপনি কী ভাবে বুঝবেন সকালবেলা কোন কুকুর কেমন মুডে রয়েছে? আপনি তা জানেন না!” চলতি মাসে বেশ কয়েক দিন শুনানি চলেছে পথকুকুর সংক্রান্ত এই মামলার। শেষে বৃহস্পতিবার সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট।