দিল্লির পীরাগঢ়ী উড়ালপুলে গাড়িতে তিন জনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় কামরুদ্দিন নামে এক তান্ত্রিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ওই তিন জনকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, লাড্ডুর সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তিন জনকে খাওয়ানো হয়েছিল। তার পরই মৃত্যু হয় রণধীর, শিবনরেশ এবং লক্ষ্মীদেবী নামে গাড়ির তিন সওয়ারির।
পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছিল তান্ত্রিককে। তিনিও গাড়িতে ছিলেন। তার পর থেকেই খোঁজ চলছিল তাঁর। অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে শুধু দিল্লি নয়, ঠিক একই কায়দায় উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও পাঁচ জনকে খুন করেছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জেরায় জানতে পেরেছে পুলিশ। একটি মামলায় গ্রেফতারও হয়েছিলেন। কিন্তু গত বছরে জামিন পান কামরুদ্দিন।
আরও পড়ুন:
কামরুদ্দিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানে বেশ কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জটিল রোগ সারিয়ে দেওয়া, কারও কোনও সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার নামে প্রলুব্ধ করতেন কামরুদ্দিন। দাবি করতেন, তাঁর কাছে ‘অলৌকিক’ শক্তি রয়েছে। সেই শক্তির জোরেই তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। পুলিশের সন্দেহ, তা হলে কি কোনও সমস্যার সূত্র ধরেই কি কামরুদ্দিনের সঙ্গে রধনীরদের পরিচয় হয়েছিল। প্রসঙ্গত, রণধীর এবং শিবনেরশ ব্যবসায়িক সঙ্গী ছিলেন। তাঁরা জমি-বাড়ির ব্যবসা করতেন। টাকাপয়সা হাতাতেই কি রণধীরদের খুন করা হয়? এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে।