Advertisement
E-Paper

‘এ বিয়ে হবে না’! বন্ধুকে জানিয়েছিলেন সিয়া, স্ন্যাপচ্যাটে দু’জনের কথোপকথন প্রকাশ্যে, মুছে ফেলা বার্তা উদ্ধার করল পুলিশ

তদন্তকারী সূত্রের খবর, যে বন্ধুর সঙ্গে সিয়ার কথা হয়েছিল, তাঁর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি সিয়ার পরিচিত এবং বন্ধুবান্ধবেরা তাঁর এই অনিচ্ছার কথা জানতেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ১৭:১৬
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সিয়া গোয়ল কি আগেই স্থির করে নিয়েছিলেন এ বিয়ে তিনি করবেন না? সম্প্রতি এক বন্ধুর সঙ্গে স্ন্যাপচ্যাটে তাঁর কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। তদন্তকারী সূত্রের খবর, গত ২৪ এবং ২৫ মে-র মধ্যে সিয়ার সঙ্গে ওই বন্ধুর মেসেজ বিনিময় হয়। তার পর সেই মেসেজ ডিলিটও করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে সেগুলি আবার উদ্ধার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

তদন্তকারী সূত্রের খবর, যে বন্ধুর সঙ্গে সিয়ার ওই সময়ে কথা হয়েছিল, তাঁর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি সিয়ার পরিচিত এবং বন্ধুবান্ধবেরা তাঁর এই অনিচ্ছার কথা জানতেন? বন্ধুর সঙ্গে এই কথোপকথন প্রকাশ্যে আসার পর সন্দেহ আরও বাড়ছে তদন্তকারীদের।

তদন্তকারী সূত্রের খবর, ওই বন্ধুকে সিয়া লেখেন, ‘‘তোর আধার কার্ডের সামনের এবং পিছনের দিকে ছবি আমাকে পাঠিয়ে দে। বিয়ের জন্য বিমানের টিকিট করতে হবে। যদিও এই বিয়ে কখনওই হবে না। তা-ও ছবিটা পাঠিয়ে দিস।’’ ওই বন্ধু উত্তর দেন, ‘‘হোয়াট্‌সঅ্যাপে তোকে ছবিটা পাঠিয়ে দিয়েছি।’’ পুলিশ এই কথোপকথন বিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করছে যে, আসলে এই ধরনের কথার মধ্যে দিয়ে কী বার্তা দিতে চেয়েছিলেন সিয়া, এই ধরনের কথার মধ্যে কি কেতন অগ্রবালের খুনের কোনও রহস্য লুকিয়ে ছিল?

আদালতে পুলিশ আগেই জানিয়েছে যে, সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধরীর মধ্যে যে কথোপকথন হয়েছে, তার মধ্যে অনেক সাঙ্কেতিক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সেই সাঙ্কেতিক শব্দের মধ্যেই কি কেতন খুনের বার্তা লুকিয়ে রয়েছে, জানার চেষ্টা চলছে। দু’জনকে গ্রেফতারের সময় দু’টি ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। শুক্রবার আরও একটি ফোনের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। মোবাইলগুলি পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, চ্যাটে ব্যবহৃত সাঙ্কেতিক শব্দগুলির প্রকৃত অর্থ সিয়া এবং চেতনই ব্যাখ্যা করতে পারবেন। সেই কারণে দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে তারা। আদালতের কাছে তার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে পুলিশ। যদিও আদালত পুলিশের আবেদন খারিজ করেছে। দুই অভিযুক্তকেই জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সাঙ্কেতিক শব্দ নিয়ে যখন পুলিশ রহস্যভেদের চেষ্টা করছে, তখন সিয়ার বন্ধুর সঙ্গে স্ন্যাপচ্যাটে তাঁর এই কথোপকথন প্রকাশ্যে এল।

Pune

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy