সংসদে বাদল অধিবেশনের দিন ঘোষণা করল নরেন্দ্র মোদী সরকার। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু সমাজমাধ্যমে শনিবার জানিয়েছেন, ২০ জুলাই থেকে শুরু হবে বাদল অধিবেশন। চলবে ১৩ অগস্ট পর্যন্ত।
এক্স পোস্টে রিজিজু লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশ মেনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের দুই কক্ষে বাদল অধিবেশন ডাকার অনুমতি দিয়েছেন। মন্ত্রীর আশা, অর্থবহ বিতর্ক, আলোচনা হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত মাসে তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন ধরে। লোকসভায় তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ জানান, তাঁদের ব্লক ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-এর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে সে কথা জানিয়ে দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। তার দিন কয়েক পরে উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার (ইউবিটি) লোকসভার ন’জন সাংসদের মধ্যে ছ’জন বিদ্রোহী হয়ে একনাথ শিন্দের শিবসেনায় যোগ দেন, যার ফলে লোকসভায় উদ্ধব গোষ্ঠীর শক্তি কমে মাত্র তিন জনে দাঁড়িয়েছে। ওই দুই পক্ষ স্বীকৃতি দাবি করেছে। তা নিয়ে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, তা স্পষ্ট হবে আসন্ন বাদল অধিবেশনে। অন্য দিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভার তিন সাংসদ ইস্তফা দিয়েছেন। ওই তিন আসনে নির্বাচন হবে আবার।
আরও পড়ুন:
সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল খতিয়ে দেখছে যুগ্ম সংসদীয় কমিটি (জেপিসি)। এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭ জুলাই কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করার কথা। ওই দিন বৈঠকে বসবে কমিটি। তার পরে সেই বিল পেশ করা হতে পারে সংসদে, যা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে আসন্ন অধিবেশনে। বিলের একটি অংশে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গ্রেফতার হয়ে ৩০ দিন হেফাজতে থাকলে তিনি মন্ত্রিত্ব খোয়াবেন। এই নিয়ে বিরোধী দলগুলি সরব হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, মোদী সরকার এই বিল পাশ করিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে পারে। ওই বিল নিয়ে শোরগোল হতে পারে সংসদে। সিঁদুর অভিযানের সময় জওয়ানদের মৃত্যু নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ যে তথ্য দিয়েছিলেন, তা নিয়েও সরব হতে পারে বিরোধীরা।