Advertisement
E-Paper

আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীকের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব ইডি-র! দুর্নীতি মামলায় আর এক কর্তা ইতিমধ্যেই হেফাজতে

ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অন্যতম কর্তা বিনেশ চান্দেলকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছে ইডি। এ বার প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল কেন্দ্রীয় সংস্থা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২২
প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি জৈনকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।

প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি জৈনকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (আইপ্যাক)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবারই সংস্থার অন্যতম কর্ণধার বিনেশ চান্দেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগের তদন্তে নেমে ইডি প্রতীকের ভাই পুলকিত জৈন এবং স্ত্রী বার্বি জৈনকে ১৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার ডেকে পাঠিয়েছে। দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরে যেতে বলা হয়েছে আইপ্যাক কর্তার স্ত্রী এবং ভাইকে। উল্লেখ্য, পুলকিতও আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ইডি-র সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

সোমবার আইপ্যাক-কর্তা বিনেশের দিল্লির ঠিকানায় হানা দিয়েছিল ইডি। ওই রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতাকে তারা গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পটীয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে এই মামলার সূত্রপাত।

Advertisement

অন্য দিকে, গত ৮ জানুয়ারি ওই মামলাতেই কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর এবং সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রতীকের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতীকের বাড়ি এবং দফতরে যান। অভিযোগ, ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাক-কর্তা প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ বার করে এনেছিলেন। তার পরে সল্টলেকে সংস্থার দফতরে গিয়েও একই কাজ করেন। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে ইডির সেই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনির্দিষ্ট কালের জন্য তা পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত।

বিনেশের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল। সোমবার রাতেই এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তাদের রাজ্যসভার ডেরেক ও’ব্রায়েন ‘অতি সত্বর এবং শর্তহীন ভাবে’ আইপ্যাক-কর্তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ইডিকে কেবল রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে বিজেপি। পাশাপাশি ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ‘প্রত্যাহারের’ দাবি জানিয়েছেন ডেরেক। ইডি-র নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মঙ্গলবার জনসভা থেকে এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, ‘‘এক জনকে গ্রেফতার করলে হাজার জন তৈরি থাকবে, হাজার জনকে গ্রেফতার করলে এক লক্ষ লোক তৈরি থাকবে।’’

ED Pratik Jain
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy