হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে প্রসবের হার দেশে ২ শতাংশ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা-৬ প্রকাশ করেছে, তাতে এই তথ্য সামনে এসেছে। বলা হয়েছে দেশে স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রসবের হার ৮৮.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯০.৬ শতাংশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রসবের সময় দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর সহায়তায় পুরো প্রক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে আগের থেকে অনেক বেশি। মায়েদের পুষ্টির বিষয়টিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। জননী সুরক্ষা যোজনা, জননী শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষিত মাতৃত্ব অভিযান, সুরক্ষিত মাতৃত্ব আশ্বাসন, প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা-২.০-র মতো কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে গর্ভাবস্থায় এবং শিশুর জন্মের পর মা এবং শিশুর স্বাস্থ্যের বিষয়ে যথাযথ নজর রাখা হচ্ছে বলে দাবি ওই সমীক্ষায়। জন্ম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত উদ্যোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সমীক্ষায় দাবি, ভারতে সর্বজনীন টিকাকরণের সাফল্যও নজরকাড়া। ১২-২৩ মাসের শিশুদের ক্ষেত্রে সব রকমের টিকাকরণের হার ৮৩.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৭.১ শতাংশ। বর্তমানে ৬ মাসের কম বয়সি ৯৫.৬ শতাংশ শিশুকে নিয়মিত মাতৃদুগ্ধ পান করানো হয়। তিন বছর পর্যন্ত শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানের হার ৪১.৮ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০.১ শতাংশ হয়েছে।
স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ৭.২ শতাংশ পরিবার এসেছে বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার মতো ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পের কারণেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা-৬ অনুসারে, মহিলারা এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন কাজ করছেন এবং তাঁদের আর্থিক ক্ষমতায়ন হয়েছে। বর্তমানে ৬৪.৩ শতাংশ মহিলা ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহার করেন। আগে এই হার ছিল ৩৩.৩ শতাংশ। বর্তমানে ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট আছে এ রকম মহিলার সংখ্যা ৭৮.৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে৮৯ শতাংশ হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)