Advertisement
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
National News

চা বিক্রি করে কোটি টাকা কামাচ্ছেন পুণের এক চা বিক্রেতা!

২০১১-তে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সংবাদ সংস্থা
পুণে শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০১৮ ১৬:৫৪
Share: Save:

চা বিক্রি করে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা প্রমাণ করে দেখালেন পুণের এক চা বিক্রেতা।

তাঁর মাসিক আয় কত জানেন? ১২ লক্ষ টাকা। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।

পুণের ওই চা বিক্রেতার নাম নবন্ত ইউলে। পুণেতে প্রথমে একটি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন। সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে শহরে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবন্তকে।

আরও পড়ুন: বিয়ের গয়না লুঠ, পাশে দাঁড়াল গোটা পাড়া

মেঘালয়ে গভীর রাতে রাজভবনে কংগ্রেস, জোট বাড়াচ্ছে বিজেপি

চায়ের ব্যবসার পরিধিও বাড়তে থাকে। ইউলে টি হাউস নামে পুণেতে এখন তাঁর তিনটি দোকান চলে। শুধু তাই নয়, তাঁর দোকানের কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। ১২ জন কাজ করেন সেখানে।

মাসখানেক আগেই রোজগার প্রসঙ্গে মোদী বলেছিলেন, পকোড়া বেচে ২০০ টাকা কামানোও কি রোজগার নয়? এই মন্তব্যের জন্য তাঁকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। পকোড়া বেচে হয়ত ২০০ টাকা রোজগার করা যেতে পারে, কিন্তু চা বেচে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছেন নবন্ত।

পুণের এই চা বিক্রেতার বলেন, “চায়ের ব্যবসাও একটা ভাল রোজগারের উপায়। অনেক ভারতীয়ই এই ব্যবসা করছেন। আর এই ব্যবসা দিনে দিনে বাড়ছে।” আর এতে যে তিনি খুশি সেটাও জানান নবন্ত। তবে পুণের চৌহদ্দিতে আটকে থাকতে চান না তিনি। তাঁর এই ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য তাঁর।

২০১১-তে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের। চায়ের প্রতি দেশবাসীর যে ভালবাসা, সেটাকে একটা ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনা মাথায় আসে তাঁর। তার পরই এই ব্যবসায় নেমে পড়া। নবন্ত জানান, পুণেতে তেমন কোনও নামকরা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে গেলে সুস্বাদু চা পাওয়া যায়। তাই শহরবাসীকে সেই স্বাদ জোগাতেই ব্যবসার সিদ্ধান্ত।

না, যেমন তেমন ভাবে নয়, কী ভাবে সুস্বাদি চা তৈরি করতে হয় সে জন্য চার বছর ধরে রীতিমতো চা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE