Advertisement
E-Paper

মধ্যপ্রদেশে গণধর্ষণে ধৃত তিন, বন্ধুর সামনে থেকে দলিত তরুণীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ! দেওয়া হয় খুনের হুমকিও

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) অরবিন্দ শ্রীবাস্তব সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, দলিত তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় চার জন জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ অগস্ট ২০২৫ ১১:২৪
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

মধ্যপ্রদেশে গণধর্ষণের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আরও এক জনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। রাজ্যের সীধী জেলার এই ঘটনায় হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) অরবিন্দ শ্রীবাস্তব সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, দলিত তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় চার জন জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশের পাঁচটি দল গঠন করা হয়েছে।

এএসপি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এক বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন নির্যাতিতা। চুরহট থানা এলাকাতেই তাঁরা ঘোরাঘুরি করছিলেন। কাঠুতার কাছে রাস্তার ধারে বাইক রেখে সামনেরই একটি পাহাড়ে গিয়েছিলেন দু’জন। কিছুটা যাওয়ার পরই চার যুবক তাঁদের ঘিরে ধরেন। তার পর তরুণীর বন্ধুর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। মারধর করে তাঁকে তাড়িয়ে দেন। তার পর তরুণীকে ঘন জঙ্গলে টেনে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তেরা তরুণীকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেন।

জঙ্গল থেকে কোনও রকমে বেরিয়ে আসেন তরুণী। কিছুটা দূরেই একটি নির্মাণকাজ চলছিল। সেখানে পৌঁছে নির্মাণকর্মীদের কাছে বিষয়টি জানান। তাঁরা পঞ্চায়েত প্রধানকে খবর দেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশের কাছেও। পুলিশ এসে তরুণীকে উদ্ধার করে সেমরিয়ার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। নির্যাতিতার কাছ থেকে অভিযুক্তদের সম্পর্কে বর্ণনা পাওয়ার পরই তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এএসপি শ্রীবাস্তব। এই ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জিতু পটওয়ারি এই ঘটনার নিন্দা করে বলেন, ‘‘গত তিন বছরে রাজ্যে দলিত এবং আদিবাসী মহিলার ধর্ষণের সংখ্যা ৭,৪১৮। ৩৩৮টি গণধর্ষণ। ৫৫৮টি খুনের মামলা রুজু হয়েছে। গড়ে প্রতি দিনই সাত জন করে দলিত বা আদিবাসী মহিলা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আর এই তথ্যই প্রমাণ করছে যে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ বিজেপি সরকার।’’

Gangrape
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy