অরণ্যের অধিকার নিশ্চিত করতে অধ্যাদেশ আনতে চায় বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন। সেই দাবি তুলে আজ ভারত বন্ধ ডেকেছিল ‘আদিবাসী অধিকার আন্দোলন’, ‘অম্বেডকর মহাসভা’, ‘সংবিধান বাঁচাও সংঘর্ষ সমিতি’র মতো অদিবাসী সংগঠনগুলি। তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন তফসিলি জনজাতির মানুষেরাও। উত্তর ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে রেল অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। বাতিল করা হয় অন্তত ২৫টি ট্রেন।
গত মাসের ১৩ তারিখ বিচারপতি অরুণ মিশ্রর বেঞ্চের নির্দেশ দেয়, অরণ্যের অধিকার আইনে যে সব পরিবারের অধিকার বা পাট্টার দাবি খারিজ হয়ে গিয়েছে, জুলাইয়ের মধ্যে তাদের উৎখাত করতে হবে। ফলে উচ্ছেদের আশঙ্কায় ভুগছেন ১৬টি রাজ্যের ১০ লক্ষের বেশি আদিবাসী-বনবাসী পরিবার। শীর্ষ আদালত অবশ্য আপাতত সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছে।
আজ দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনকারীরা। দিল্লিতে মান্ডি হাউস থেকে সংসদ মার্গ পর্যন্ত মিছিল করেন তাঁরা। আদিবাসী আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে আজ টুইট করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের আদিবাসী এবং দলিত ভাই-বোনেরা সঙ্কটে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যা আশ্বাসে আজ তাঁরা রাস্তায় এসে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের জঙ্গল ও জীবনের অধিকারের উপর নিরন্তর হামলা হচ্ছে। অরণ্যের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আমি তাঁদের আন্দোলন সমর্থন করছি।’’