Advertisement
E-Paper

দাউদ ঘনিষ্ঠ মাদক ব্যবসায়ীকে ভারতে ফেরত পাঠাল তুরস্ক! বিদেশে বসেই পাচারচক্র চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ

তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজ়েশন’ এবং সে দেশের স্থানীয় পুলিশের যৌথ অভিযানে গত রবিবার ইস্তানবুলে ধরা পড়েন সেলিম। গ্রেফতারির পরে তাঁকে তুরস্ক থেকে বিতাড়িত করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০৯
মাদক ব্যবসায়ী সেলিম দোলা।

মাদক ব্যবসায়ী সেলিম দোলা। ছবি: সংগৃহীত।

পলাতক দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ এক মাদক ব্যবসায়ীকে ফেরত পাঠানো হল ভারতে। মাদক কারবারে অভিযুক্ত সেলিম দোলাকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে তুরস্কের প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে বিমানে করে তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়। দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরে তাঁকে দিল্লির নারকোটিক্‌স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজ়েশন’ এবং সে দেশের স্থানীয় পুলিশের যৌথ অভিযানে গত রবিবার ইস্তানবুলে ধরা পড়েন সেলিম। গ্রেফতারির পরে তাঁকে তুরস্ক থেকে বিতাড়িত করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ৫৯ বছর বয়সি সেলিম বড় হয়েছেন মুম্বইয়ের ডোংরিতে। বস্তুত, ডোংরির অলিগলিতেই বেড়ে উঠেছেন দাউদও। দাউদের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে অন্যতম তিনি। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মাদক মামলায় তাঁর যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। প্রায় এক দশক আগে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যান সেলিম। সেই থেকে বিদেশে বসেই নিজের মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন তিনি। বিদেশ থেকেই তিনি একটি আন্তঃরাজ্য মাদক পাচারচক্র চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ।

দিল্লির এনসিবি-র এক আধিকারিক জানান, সেলিমকে প্রথমে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এর পরে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাত-সহ অন্য যে রাজ্যগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, সেই রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করা হবে ধৃতকে। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে মুম্বই বিমানবন্দরে প্রথম বার গ্রেফতার হয়েছিলেন সেলিম। ওই সময়ে তাঁর কাছে প্রায় ৪০ কেজি মাদক পাওয়া গিয়েছিল। বেশ কিছু মাদক উদ্ধারের ঘটনাতেও সেলিমের নাম উঠে আসে। গত বছর ইন্টারপোলের সাহায্যে ধরা হয়েছিল সেলিমের পুত্র তাহের এবং তাঁর ভাগ্নে মোস্তফা মোহাম্মদ কুব্বাওয়ালাকে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে পাকড়াও করে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল তাঁদের। এ বার সেলিমকেও নিজেদের হেফাজতে নিলেন তদন্তকারীরা। এ বার সেলিমেরও গ্রেফতারির ফলে তাঁর মাদকচক্র আরও দুর্বল হল বলে মনে করছেন আধিকারিকেরা।

Turkey
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy