Advertisement
E-Paper

লখনউ হত্যাকাণ্ড: পারিবারিক ব্যবসা সামলাতে চেয়েছিলেন অক্ষত! বাড়িতে গয়না চুরিতেও ধরা পড়েন, তার জেরেই কি বাবাকে খুন?

তদন্তকারী সূত্রের খবর, ব্যবসায়ীর আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক ভাবে জানতে পারা গিয়েছে যে, ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনায় ঘোরতর আপত্তি ছিল অক্ষতের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩০
ব্যবসায়ী (ইনসেটে) খুনে অভিযুক্ত পুত্র (বাঁ দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ব্যবসায়ী (ইনসেটে) খুনে অভিযুক্ত পুত্র (বাঁ দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

নিট পরীক্ষায় দু’বার বসেছিলেন। কিন্তু সফল হতে পারেননি। আর এখান থেকেই বাবা-ছেলের দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে ব্যবসায়ী খুনে এমনটাই দাবি করেছেন তাঁর আত্মীয়েরা। তবে শুধু যে পড়াশোনা নিয়ে অশান্তির জেরে ব্যবসায়ী মানবেন্দ্র সিংহকে খুন হতে হয়েছে, এমনটা নয়। নেপথ্যে আরও কয়েকটি কারণ রয়েছে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারী সূত্রের খবর, ব্যবসায়ীর আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক ভাবে জানতে পারা গিয়েছে যে, ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনায় ঘোরতর আপত্তি ছিল অক্ষতের। পরিবর্তে পারিবারিক ব্যবসা সামলানোর দিকে ঝোঁক ছিল বেশি। কিন্তু মানবেন্দ্র সেটা চাইতেন না বলেও দাবি আত্মীয়দের। পুলিশ জানতে পেরেছে, মানবেন্দ্রের চারটি প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ছিল। এ ছাড়াও মদের দোকান ছিল তিনটে। সূত্রের খবর, ওই ব্যবসাতেই নামার জন্য চেষ্টা করছিলেন অক্ষত। কিন্তু তাতে বাদ সাধেন বাবা। তদন্তকারীরা মনে করছেন, সেই আক্রোশই মনে পুষে রেখেছিলেন পুত্র।

সূত্রের খবর, আরও একটি কারণের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এটাও ব্যবসায়ী খুনে অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাবসায়ীঘনিষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলে তেমনই ইঙ্গিত পেয়েছেন তদন্তকারীরা। মাস চারেক আগে বাড়ি থেকে বেশ কিছু গয়না চুরি হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনা নিয়ে মানবেন্দ্রের বাড়িতে বেশ হুলস্থুল হয়। পরিচারিকাকে সন্দেহ করে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মানবেন্দ্র। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, পরিচারিকা নন, বাড়ি থেকে গয়না চুরি করেছিলেন তাঁর পুত্র অক্ষতই। তিনি যে বিষয়টি জানতে পেরেছেন, সেটি অক্ষতকে বুঝতে দেননি। চুরির অভিযোগও তুলে নেন মানবেন্দ্র। কিন্তু তাঁকে নজরে রাখা শুরু করেন। সেটা জানতে পেরেছিলেন অক্ষত। সেই ঘটনা নিয়েও বাবা-ছেলের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সবক’টি কারণই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুনের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ ছিল, তা অভিযুক্তকে জেরা করে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, সোমবার লখনউয়ে বাড়ির ভিতর থেকে ব্যবসায়ী দেহাংশ নীল ড্রামের মধ্যে উদ্ধার হয়। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

Crime
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy