Advertisement
E-Paper

‘প্রথমে ভয় লাগছিল, তবে পুরো প্রস্তুতি নিয়েই গিয়েছিলাম’! এমবিবিএসে ভর্তির মামলা সুপ্রিম কোর্টে জিতে কী বললেন নিট পরীক্ষার্থী

২০২৪-২৫ সালে নিট পরীক্ষায় পাশ করেছেন অথর্ব। তিনি অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত (ইডব্লিউএস)। ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৫৩০ পেয়ে পাশ করেছেন। কিন্তু ভর্তির সুযোগ থেকে ‘বঞ্চিত’ হচ্ছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০৮
সুপ্রিম কোর্টে মামলা জিতেছেন নিট পরীক্ষার্থী অথর্ব চতুর্বেদী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সুপ্রিম কোর্টে মামলা জিতেছেন নিট পরীক্ষার্থী অথর্ব চতুর্বেদী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

অথর্ব চতুর্বেদী। মধ্যপ্রদেশের এই তরুণ এখন খবরের শিরোনামে। নিট পরীক্ষার্থী। সুপ্রিম কোর্টে নিজের করা মামলা নিজেই লড়েছেন। জিতেওছেন। আর তার পর থেকেই অর্থবকে নিয়ে দেশ জুড়ে আলোচনা চলছে।

২০২৪-২৫ সালে নিট পরীক্ষায় পাশ করেছেন অথর্ব। তিনি অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত (ইডব্লিউএস)। ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৫৩০ পেয়ে পাশ করেছেন। কিন্তু ভর্তির সুযোগ থেকে ‘বঞ্চিত’ হচ্ছিলেন। কারণ মধ্যপ্রদেশে বেসরকারি কলেজে ইডব্লিউএস ক্যাটাগরির পরীক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য কোনও আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ফলে নিট পরীক্ষায় পাশ করেও তিনি ডাক্তারি পড়ার জন্য কলেজে ভর্তি হতে পারছিলেন না। কেন ইডব্লিউএস পরীক্ষার্থীদের জন্য কোনও আসন সংরক্ষণ থাকবে না, তা নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেন অথর্ব।

প্রথমে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। সেখানে নিজের হয়ে নিজেই সওয়াল করেছিলেন অথর্ব। আদালতের সামনে সংবিধানের ১০৩তম সংশোধনী এবং অনুচ্ছেদ ১৫ (৬), ১৬ (৬)-এর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এই সংশোধনী এবং সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বেসরকারি কলেজগুলিতে ইডব্লিউএস পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ রাখা বাধ্যতামূলক। এর পরই আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দেয় বেসরকারি কলেজগুলিতে যাতে এক বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অভিযোগ, তার পরেও সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। ২০২৫-২৬ সালেও নিট পরীক্ষায় পাশ করেন অথর্ব। তাঁর র‌্যাঙ্ক ছিল ১৬৪। কিন্তু বেসরকারি কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে আবার একই সমস্যার সম্মুখীন হন। তার পরই অনলাইনে সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়ে আবেদন করেন অথর্ব। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের সামনে বিষয়টি উত্থাপন করেন অথর্ব। তিনি বিচারপতিদের বেঞ্চের কাছে ১০ মিনিট সময় চান। তাতে রাজি হয় শীর্ষ আদালত।

অথর্ব এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘প্রথমে ভয় লাগছিল। কিন্তু আমি অর্ডার কপি ভাল ভাবে পড়ে গিয়েছিলাম। জানতাম, আইন আমার পক্ষেই আছে। শুধু সেই আইনই অনসুরণ করে গিয়েছি।’’ সব শোনার পর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন এবং মধ্যপ্রদেশ সরকারকে তাঁর ভর্তি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়।

Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy