Advertisement
E-Paper

আজমল, গগৈকে বিঁধলেন অমিত

কংগ্রেস ও এআইইউডিএফের বন্ধুত্ব হলেও, দিসপুর ছিনিয়ে নেবে বিজেপিই— এমনই দাবি করলেন ওই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আজ ডিব্রুগড়ে দলীয় কর্মিসভায় যোগ দেন অমিত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ০৩:১৪

কংগ্রেস ও এআইইউডিএফের বন্ধুত্ব হলেও, দিসপুর ছিনিয়ে নেবে বিজেপিই— এমনই দাবি করলেন ওই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আজ ডিব্রুগড়ে দলীয় কর্মিসভায় যোগ দেন অমিত। নামে কর্মিসভা হলেও আদতে এখান থেকেই অসমে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন তিনি।

এআইইউডিএফকে ‘বাংলাদেশের দল’ হিসেবে চিহ্নিত করে অমিত বলেন, ‘‘যাঁরা এআইইউডিএফের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়, তাঁরা অসমকে বাংলাদেশিমুক্ত করবে কী ভাবে?’’ তাঁর বক্তব্য— ‘‘ক্ষমতা দখলের জন্য মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ লুকিয়ে এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমলের সঙ্গে আঁতাত করতে চাইছেন। সাহস থাকলে তিনি আজমলের সঙ্গে খোলা মঞ্চে বৈঠক করুন।’’ একই অভিযোগ তুলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সর্বানন্দ সোনোয়াল বলেন, ‘‘কংগ্রেস ও আজমল অসমকে বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য করতে চাইছেন। গগৈ আজমলকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করারও প্রস্তাব দিয়েছেন।’’

বিজেপির দাবি— ১৫ বছরে কংগ্রেস অসমে যত কর্মসংস্থান করেছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ১৫ মাসের মধ্যে তার চেয়ে বেশি চাকরি দেওয়া হবে। সর্বানন্দ বলেন, ‘‘হিন্দিভাষীরা বিজেপিকে নিয়ন্ত্রণ করছে বলে গগৈ অপপ্রচার চালাচ্ছেন। হিন্দিভাষীরা নয়, অসমের ৩ কোটি ভোটারই বিজেপিকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। ২৩ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’’ ওই সভায় অমিত জানান, নাগরিক পঞ্জি সংশোধন বা অনুপ্রবেশ বন্ধ করা— বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এক মাত্র সে সব সম্ভব হবে। ২০১৭ সালের মধ্যে শেষ করা হবে বগিবিল প্রকল্প। ২৪ হাজার আদর্শ গ্রামও তৈরি করা হবে। অমিতের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গগৈ বলেন, ‘‘জোট বা বোঝাপড়া নিয়ে আমি লুকোচুরি খেলছি না। বিজেপিকে রুখতে সব দলের কাছে আমার খোলা প্রস্তাবই রয়েছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আজমল মুখে বলছেন কংগ্রেসের সঙ্গে মিত্রতা করবেন না। অথচ তিনি নিজে দু’বার আমার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কথা বলেছেন এআইসিসির সঙ্গেও।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy