Advertisement
E-Paper

জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে তৎপর হলেন জেলাশাসক

বেহাল রাস্তার কারণ দেখিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বেশি দাম নেওয়া মানবেন না করিমগঞ্জের জেলাশাসক। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আজ পাইকারি এবং খুচরো ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই জানিয়ে দিলেন মনোজকুমার ডেকা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০১৬ ০৪:২৪

বেহাল রাস্তার কারণ দেখিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বেশি দাম নেওয়া মানবেন না করিমগঞ্জের জেলাশাসক। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আজ পাইকারি এবং খুচরো ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই জানিয়ে দিলেন মনোজকুমার ডেকা।

করিমগঞ্জের বাজারে ফলমূল, মাছ সব্জির বাজার আগুন। সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন সমস্যায়। অভিযোগ উঠেছিল, বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ নেই প্রশাসনের। সে দিকে তাকিয়েই পদক্ষেপ করেন জেলাশাসক। ফল, সব্জি, মাছবিক্রেতা সংগঠনের কর্মকর্তাদের নিয়ে এ দিন বৈঠকে বসেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রদীপরঞ্জন কর, অতিরিক্ত জেলাশাসক ধ্রুবজ্যোতি দেব। জেলাশাসক বৈঠকে জানিয়ে দেন, করিমগঞ্জের বেহাল রাস্তাঘাটের কারণ দেখিয়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো তিনি মেনে নেবেন না।

বৈঠকের পর প্রশাসনের তরফে প্রতি কিলোগ্রাম হিসেবে ১২০ টাকা দরে আঙুর, ৭০ টাকায় আম ও ১০০ টাকায় আপেল বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়। মাছ, সব্জির দামেও রাশ টানতে বলেন জেলাশাসক। তিনি জানিয়ে দেন, মাঝেমধ্যেই প্রশাসনিক আধিকারিকরা লুকিয়ে বাজারে যাবেন। প্রশাসনের নির্ধারিত দর না মেনে যাঁরা বেশি দামে জিনিস বিক্রি করবেন, তাঁদের জেলে ঢোকানো হবে।

Advertisement

করিমগঞ্জ জেলার শনবিল থেকে প্রতি দিন বিভিন্ন বাজারে মাছ সরবরাগ করা হয়। অভিযোগ, ট্যাংরা মাছ ৮০০-১ হাজার টাকা, কাজুলি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, পুঁটি মাছ ৫০০ টাকা, কাতলা ৪০০ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম দরে বিক্রি করা হচ্ছে। শনবিল থেকে নিয়ে আসা মাছ বাজারে নিলাম করা হয়। নিলামে দাম চড়লে বিপাকে পড়েন গ্রাহকরা। বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়ান বলে অভিযোগ। জেলাশাসক জানিয়েছেন, মাছের বাজারেও নজর রাখবে প্রশাসন। চালানি মাছের পাশাপাশি দেশি মাছেরও দাম বেঁধে দেওয়া হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy