লরির চাকায় ছিটকে রাস্তার কাদাজল গায়ে পড়ে যাওয়ায় চালককে বেধড়ক মারধর করলেন মোটরসাইকেল সওয়ার দুই যুবক। জখম লরিচালককে করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর নাম আব্দুল মালিক। বাড়ি শহরের বনমালী রোডে।
পুলিশ জানায়, আজ দুপুরে করিমগঞ্জ শহরতলির কানিশাইলের দিকে লরি নিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল। মোটরসাইকেল নিয়ে লরির পাশ কাটিয়ে বের হতে যান স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ছেলে রাজন মিঞা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর এক বন্ধু। ওই সময় লরির চাকায় ছিটকে রাস্তায় জমে থাকা জল রাজনের গায়ে পড়ে। অভিযোগ, এর পরই লরির রাস্তা আটকাতে যান দুই যুবক। আচমকা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেলটি নিয়ে লরির সামনে দাঁড়িয়ে যান রাজন। ব্রেক কষতে কিছুটা দেরি হওয়ায় লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সামান্য ধাক্কা লাগে। এর পরই লরিচালককে টেনে নামিয়ে মারধর করেন রাজন ও তাঁর বন্ধু। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তায় ফেলে লরিচালককে মারধর করা হয়। পরে এলাকার লোকরা জখম চালককে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আব্দুল জানান, রাস্তার জল মোটরসাইকেল আরোহীর গায়ে তিনি ইচ্ছা করে ফেলেননি। করিমগঞ্জ সদর থানায় এ নিয়ে তিনি মামলা দায়ের করেছেন। লরিচালক সংস্থার তরফে আব্দুস সালাম, মোটরচালক সমিতির সভাপতি বিধু ঘোষ জানান, অভিযোগ পেয়েও ব্যবসায়ী মুকু মিঞার ছেলে রাজনকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। দ্রুত কোনও পদক্ষেপ না করা হলে তাঁরা বড় আন্দোলন শুরু করবেন।