বছরশেষের উৎসবের আবহ শহর জুড়ে। আলোকমালায় সেজেছে শহর থেকে শহরতলি। রেস্তরাঁ, পানশালায় খানাপিনার দেদার আয়োজন। এমন উৎসবে নিজেকেও তো করে তুলতে হবে নজরকাড়া।
বছর শেষে উৎসবের জন্য পশ্চিমী ধাঁচের পোশাক কিনেছেন? স্টিলেটোও বার করে ফেলেছেন। কিন্তু কাঁধখোলা পোশাক তো পরলেই হল না, উন্মুক্ত অংশে নায়িকাদের মতো জৌলুস কী ভাবে আসবে, ভেবেছেন?
মুখে চকচকে ভাব আনতে ব্যবহার হয় শিমার। আইশ্যাডো থেকে ব্লাশে অনেকেই শিমারের ছোঁয়া রাখতে পছন্দ করেন। গুঁড়ো, ক্রিমের মতো, তরল— বিভিন্ন ধরনের শিমার হয়। শুধু মুখ নয়, শরীরের উন্মুক্ত অংশ, যেমন গলার হাড়, পায়ে, হাতেও শিমার ব্যবহার করা যায়।
উৎসবের মরসুমে যদি বডি শিমারের জন্য খুব বেশি খরচ করতে না চান, তা হলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন প্রসাধনীটি।
পদ্ধতি
আরও পড়ুন:
উপকরণ: ক্যামেলাইনা অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, ভিটামিন ই অয়েল, অভ্রের গুঁড়ো। সমস্ত উপকরণ অনলাইনে, প্রসাধনীর দোকানে পাওয়া যায়।
প্রথমে, অভ্রের গুঁড়ো ক্যাস্টর অয়েলে ধীরে ধীরে মিশিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে, যেন দলা পাকিয়ে না যায়।
তার পর যোগ করুন ক্যামেলাইনা অয়েল। ভাল করে মিশিয়ে নিন। সব শেষে ভিটামিন ই অয়েল মিশিয়ে নিন। ড্রপার দেওয়া কোনও শিশিতে ভরে রাখুন অভ্র মিশ্রিত তেল।
কী ভাবে ব্যবহার করবেন?
কাঁধ-খোলা বা খোলামেলা পোশাক পরলে গলার হাড় থেকে বুক পর্যন্ত অংশে শিমার লাগাতে পারেন। এ ছাড়া হাত, পায়েও ব্যবহার করা যায়। প্রথমে ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন। তার পর যে অংশে মাখতে চাইছেন, সেই অংশে কয়েক ফোঁটা শিমার দিয়ে আঙুল বা ব্রাশের সাহায্যে ত্বকের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। শুধু পশ্চিমী ধাঁচের পোশাক নয়, বিয়েবাড়ি হোক বা পার্টি, ব্রালেট, হল্টার নেক ব্লাউজ় পরলেও শিমার মাখতে পারেন।