ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাঁতের হলদেটে ছোপ দূর করার নানা পদ্ধতি রয়েছে। তবে তার জন্য দীর্ঘ দিন লেগে থাকতে হবে। আর তার পরেও যে ফল পাওয়া যাবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। কারণ, শারীরিক নানা পরিস্থিতির ভিত্তিতে ঘরোয়া উপাদান অনেকসময় কাজ না-ও করতে পারে। এমতাবস্থায় চটজলদি আর নিশ্চিত সমাধান চাইলে কয়েকটি এ কালের সমাধান নিয়ে দেখতে পারেন। এগুলি অনেক বেশি কার্যকরী এবং এর ফলাফলও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
১. টিথ হোয়াইটেনিং স্ট্রিপস
বাড়িতে বসেই করা
যায় এবং কোনও ক্লিনিকে যাওয়ার ঝক্কি বা ঝঞ্ঝাট নেই। পাতলা, নমনীয় প্লাস্টিকের এক ধরনের স্ট্রিপ পাওয়া যায় বাজারে। যাতে ‘পেরোক্সাইড’ জেল লাগানো থাকে। দাঁতের ওপর এটি লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এটি সরাসরি দাঁতের এনামেলের ভেতরে গিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চেপে বসে থাকা দাগ
দূর করে। ৭ দিনের মধ্যেই দাঁতের রং কয়েক পরত বেশি সাদা এবং উজ্জ্বল দেখায়।
২. ইন-অফিস লেজার হোয়াইটেনিং
সবচেয়ে দ্রুত পদ্ধতি। সামনে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। আর তার জন্য যদি হাতে মাত্র ১-২ দিন সময় থাকে তবে ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে লেজ়ার হোয়াইটনিং করাতে পারেন। এই পদ্ধতিতে ডেন্টিস্ট দাঁতে একটি শক্তিশালী হোয়াইটেনিং জেল লাগিয়ে তার ওপর বিশেষ লেজার লাইট প্রজেক্ট করবেন। এক ঘণ্টার একটি সেশনেই দাঁত সাদা হয়ে যাবে। এটি সাধারণত ১ থেকে ২ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যদি সঠিক ভাবে যত্ন নেওয়া হয়।
৩. আল্ট্রাসনিক স্কেলিং ও পলিশিং
অনেকের দাঁতে পাথর জমে বা ধূমপানের কারণে এক ধরনে কঠিন আস্তরণ পড়ে, যার রং কালো অথবা হলুদ। এই ধরনের দাগ তুলতে কাজে লাগতে পারে আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশন। এর সাহায্যে দাঁতের কোনায় জমে থাকা পাথর এবং চা-কফির দাগ পরিষ্কার হয়ে যায়। এর পরে একটি বিশেষ পেস্ট দিয়ে পলিশ করে দাঁতকে মসৃণ করা হয়। এই পদ্ধতি দাঁতের রং সাদা করার পাশাপাশি মাড়িও সুস্থ রাখে। দূর করে মুখের দুর্গন্ধ।
এ ছাড়া আরও একটি উপায় রয়েছে।
যদি দাঁতে খুব বেশি দাগ থাকে এবং হাতে একেবারেই সময় না থাকে তবে বাজারে হোয়াইটনিং পেন পাওয়া যায়। এটি দিয়ে দাঁতের ওপর ব্রাশ করলে তাৎক্ষণিকভাবে দাঁত সাদা দেখায়। বিষয়টি অনেকটা দাঁতের মেকআপের মতো কাজ করে।