Advertisement
E-Paper

সারা দিন উপোস করে অম্বলের ভয়ে বিশেষ খেতে পারেন না? প্রথম খাবারটি বাছুন বুদ্ধি করে

দীর্ঘ ক্ষণ শরীর জলশূন্য থাকায় পরিপাকতন্ত্র সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। তাই উপোস ভাঙার পরে প্রথম কী খাচ্ছেন এবং তার পরে আর কী খাচ্ছেন, তা বুঝেশুনে বেছে নেওয়া জরুরি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১২
উপোস ভাঙার সঠিক নিয়ম

উপোস ভাঙার সঠিক নিয়ম ছবি : সংগৃহীত।

পুজোর জন্য সারা দিন উপোস করলেই একটা ভয় মাথায় কাজ করে। খাওয়ার পরেই অ্যাসিডিটির সমস্যা হবে না তো। বা পেট ফাঁপা, হজমের গোলমাল! এই ভয়ে উপোস ভাঙার পরেও মন ভরে খেতে পারেন না অনেকেই।

বিশেষ করে সারাদিন যাঁরা জল না খেয়ে উপোস করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সন্ধ্যায় হঠাৎ করে ভারী বা মশলাদার খাবার খেলে অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতেই পারে। কারণ, দীর্ঘ ক্ষণ শরীর জলশূন্য থাকায় পরিপাকতন্ত্র সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। তাই উপোস ভাঙার পরে প্রথম কী খাচ্ছেন এবং তার পরে আর কী খাচ্ছেন, তা বুঝেশুনে বেছে নেওয়া জরুরি।

তা ছাড়া সারা দিন উপোস থাকার পরে শরীরেও পুষ্টির প্রয়োজন পড়ে। দু’দিক সামলাতে হলে উপোস ভাঙার পরে প্রথম খাবারটি বাছতে হবে একটু বুদ্ধি খরচ করে। এমন কিছু যা শরীরকে দীর্ঘ উপোসের পর চাঙ্গা করে তুলবে, আবার পরের খাবারগুলিকে হজম করতেও সাহায্য করবে। তা হলে অসুস্থ হয়ে পড়ার ভয় থাকবে না।

১. শুরুটা হোক পানীয় দিয়ে

সরাসরি খাবার না খেয়ে আগে শরীরকে হাইড্রেট করুন। লেবুর জল বা ডাবের জল বা দইয়ের ঘোল সামান্য গোল মরিচ মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা ইলেকট্রোলাইটস শরীরের ক্লান্তি দূর করবে। অ্যাসিডিটির ভয় থাকলে নুন এবং চিনি মেশানো জলও খেতে পারেন। তবে খুব বেশি ঠান্ডা জল খাবেন না, ঘরের তাপমাত্রার জল চুমুক দিয়ে ধীরে ধীরে পান করুন।

২. প্রথম খাবার ফল

জল পানের ১০-১৫ মিনিট পর নরম কোনও ফল খান। এ ক্ষেত্রে কলা খেতে পারেন। এটি পটাশিয়ামে ভরপুর এবং হজম করা সহজ। এ ছাড়া পাকা পেঁপেও খেতে পারেন। পেঁপেতে থাকা এনজ়াইম হজমে সাহায্য করবে। আর খেতে পারেন খেজুর। সারা দিন উপোসের পর তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য খেজুর সেরা। কারণ, এতে প্রচুর ফাইবার ও প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা ঝিমিয়ে পড়া শরীরকে তরতাজা করতে সাহায্য করবে।

৩. মূল খাবারে যা রাখবেন

ফল খাওয়ার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট পর মূল খাবার খান। মনে রাখতে হবে খাবারটি যেন সহজপাচ্য আর পুষ্টিকর হয়। কারণ, সারাদিন শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়নি। সাবুদানার খিচুড়ি, ওটস, ডালিয়া, সুজি খেতে পারেন। সব্জি এবং ডাল দিয়ে স্যুপও বানিয়ে খেতে পারেন। কিংবা খান আলু দিয়ে তৈরি কোনও তরকারির সঙ্গে ঘিয়ে সেঁকা পরোটা।

৪. যা এড়িয়ে চলাই ভাল

বেগুনি, পেঁয়াজি বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। কারণ, তাতে হজমের সমস্যা, বুক জ্বালা করা, অ্যাসিড এবং গ্যাসের নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। খালি পেটে চা বা কফির মতো ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়ও অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টিও এড়িয়ে চলাই ভাল। সারা দিন উপোস করে থাকার পরে মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে গিয়ে অস্বস্তি হতে পারে।

Fasting fasting tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy